এই ঘটনায় তিন ছাত্রীর বিরুদ্ধে এবং কলেজ অধ্যাপকের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (বিএনএস)-এর ৭৫, ১১৫(২) ও ৩(৫) ধারায় এবং হিমাচল প্রদেশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান (র্যাগিং নিষিদ্ধকরণ) আইন, ২০০৯-এর ৩ ধারায় এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগে অধ্যাপক ও তিন ছাত্রীকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। ঘটনাটি ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে ঘটেছে বলেই জানা গিয়েছে৷
advertisement
নির্যাতিতার বাবার অভিযোগ তিন ছাত্রী তাঁর মেয়েকে শারীরিকভাবে আক্রমণ ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করে, আর অধ্যাপক তাঁর সঙ্গে অশ্লীল আচরণ করেন। প্রথমে হিমাচল প্রদেশের একাধিক হাসপাতালে তাঁর চিকিৎসা করা হয়, কিন্তু অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে লুধিয়ানার একটি হাসপাতালে রেফার করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২০২৫ সালের ২৬ ডিসেম্বর তাঁর মৃত্যু হয়।
কিন্তু ঘটনা সেপ্টেম্বর ঘটেছে অথচ অভিযোগ জানান হল এত দেরিতে কেন? এ প্রসঙ্গে নির্যাতিতার বাবা জানিয়েছেন, নির্যাতিতার দীর্ঘদিনের সংকটজনক অসুস্থতা এবং মৃত্যুর পর পরিবারের গভীর মানসিক আঘাতের কারণেই পুলিশে অভিযোগ জানাতে দেরি হয়েছে।
পুলিশ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, অভিযোগটি খতিয়ে দেখা এবং প্রাথমিক তদন্তের পর অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করা হয়েছে।
এদিকে, কংগ্রেসের বর্ষীয়ান নেতা জয়রাম ঠাকুর এই ঘটনাকে “লজ্জাজনক” বলে নিন্দা করেছেন এবং মামলায় পুলিশের অবহেলার অভিযোগ উঠেছে বলেও মন্তব্য করেছেন। চলমান তদন্তে র্যাগিং, শারীরিক নির্যাতন, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও যৌন হেনস্থার অভিযোগ, পাশাপাশি যে ঘটনাক্রমে ছাত্রীর স্বাস্থ্যের অবনতি ও মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ, তা খতিয়ে দেখা হবে জানিয়েছে পুলিশ৷
