প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী বেঞ্চ এই মামলার শুনানি করছিল। আবেদনটি করার সময়ে শৈলেন্দ্র মণি ত্রিপাঠী আদালতের কাছে অনুরোধ করেছিলেন কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার যেন ঋতুস্রাবের সময় মহিলাদের ছুটির ব্যবস্থা করেন। আবেদনে বলা হয়েছিল, এ সময় সময় কাজ করা অনেক সময় কঠিন হয়ে পড়ে।শুনানির সময় বেঞ্চ জানায়, আইন করে মাসিক ছুটি বাধ্যতামূলক করা নিয়ে সমস্যা রয়েছে। প্রধান বিচারপতির মন্তব্য, প্রতি মাসে এই ছুটি আইনি বাধ্যবাধকতা করা হলে কর্মক্ষেত্রে মহিলাদের নিয়োগের ক্ষেত্রে নেতিবাচক মনোভাব তৈরি করতে পারে। বিচারপতি বলেন, কোনও মহিলা এই বিষয়ে আদালতের দ্বারস্থ হননি, একজন পুরুষ এ আবেদন করায় এমন ধারণা তৈরি করতে পারে যে মহিলারা পিছিয়ে। তিনি পর্যবেক্ষণ করেছেন যে এই ধরনের আবেদন অনিচ্ছাকৃতভাবে নারীদের সম্পর্কে প্রচলিত ধারণাগুলিকে আরও শক্তিশালী করতে পারে।
advertisement
আবেদনকারীর পক্ষে আইনজীবী এমআর শামশাদ কেরালার উদাহরণ তুলে ধরে বলেন যে, কিছু রাজ্য এবং প্রতিষ্ঠান ইতিমধ্যেই মাসিক ছুটির ব্যবস্থা করার জন্য পদক্ষেপ করেছে। তিনি বলেন, কেরালার স্কুলগুলিতে এটি চালু করা হয়েছে। বেশ কয়েকটি বেসরকারি কোম্পানি স্বেচ্ছায় কর্মীদের এই ধরনের ছুটি প্রদান করেছে। এর জবাবে প্রধান বিচারপতি বলেন স্বেচ্ছায় দেওয়া নীতিগুলিকে স্বাগত, তবে আইনের মাধ্যমে এই ধরনের নিয়ম বাধ্যতামূলক করলে কেউ তাদের বিচার বিভাগ বা সরকারি চাকরিতে নেবে না, তাদের ক্যারিয়ার শেষ হয়ে যাবে।
