দলের পক্ষ থেকে রাজ্যসভা সচিবালয়ে একটি চিঠি দিয়ে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে। এমনকী, চাড্ডাকে সংসদে বক্তব্য রাখার সময় না দেওয়ার আবেদনও জানিয়েছে দল।
এই সিদ্ধান্তের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই রাঘব চাড্ডা একটি তিন মিনিটের ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেন। সেখানে সংসদে তাঁর বিভিন্ন বক্তব্য ও জনস্বার্থমূলক বিষয় তুলে ধরার মুহূর্তগুলি দেখা যায়। তবে ভিডিওর সঙ্গে কোনও ক্যাপশন না দিয়ে তিনি শুধু একটি ‘নজর’ ইমোজি ব্যবহার করেন, যা অনেকেই ‘অশুভ শক্তি থেকে রক্ষা’ করার প্রতীক হিসেবে মনে করেন।
advertisement
উল্লেখযোগ্যভাবে, সাম্প্রতিক সময়ে দলের মূল ইস্যু থেকে কিছুটা দূরে সরে ছিলেন চাড্ডা। ২০২৫ সালের দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনে আপের পরাজয়ের পর থেকেই তিনি জনস্বার্থ সংক্রান্ত বিষয়—যেমন দূষণ, বিমান ভাড়া বৃদ্ধি, গিগ কর্মীদের অধিকার ইত্যাদি—নিয়ে বেশি সরব ছিলেন।
তাঁর এই নীরবতা ও দলীয় লাইনে না চলার অভিযোগ থেকেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। যদিও দল আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও কারণ জানায়নি। একই সঙ্গে, অসম নির্বাচনে দলের তারকা প্রচারকের তালিকায়ও তাঁকে রাখা হয়নি, যা দলত্যাগের জল্পনা আরও বাড়িয়েছে।
