কোটার ইনস্পেক্টর জেনারেলের বাসভবনে গোখরোটিকে দেখতে পেয়েছিলেন কর্তব্যরত পুলিশকর্মীরা। জানা গিয়েছে, এক পুলিশকর্মী গার্ড রুম থেকে বাড়ির ভিতরে ঢুকতেই দেখতে পান একটি কালো গোখরো ফণা তুলে বসে আছে। তবে তার নড়াচড়া নেই।
ভয় পেয়ে তিনি ইনচার্জকে খবর দেন। এর পর ডাকা হয় সাপুড়ে গোবিন্দ শর্মাকে। গোবিন্দ শর্মা সাবধানে গোখরো সাপটিকে উদ্ধার করেন। খবর দেওয়া হয় বন বিভাগের কর্মকর্তাদেরও।
advertisement
গোবিন্দ জানান, পুলিশের ইনস্পেক্টর জেনারেলের বাংলোতে গোখরো সাপ ধরার কিছুক্ষণ পরেই কোটার কাছে বিনায়ক গ্রাম থেকে খবর আসে যে সেখানেও একটি বাড়িতে প্রায় ছ’ফুট লম্বা কালো সাপ ঢুকেছে। আতঙ্কে সবাই বাড়ির বাইরে বেরিয়ে আসেন। অবিলম্বে সেই গ্রামে পৌঁছে গোখরোটিকে উদ্ধার করা হয়। জানা গিয়েছে বিনায়ক গ্রামে ওই গৃহস্থবাড়ির কুলারের পিছনে বসেছিল সাপটি। এই গোখরো খুব লম্বা এবং বিষাক্ত ছিল।
গোবিন্দ শর্মা সাবধানে ৬ ফুট লম্বা কালো গোখরোটিকে ধরেন এবং বন দফতরের কর্মকর্তাদের হাতে তুলে দেন। পরে উদ্ধার হওয়া সাপ দু’টিকে জঙ্গলে ছেড়ে দেওয়া হয়। অতিরিক্ত গরমে অতিষ্ঠ হয়েই সাপ বেরিয়ে পড়ছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
এমন পরিস্থিতিতে আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন স্নেক ক্যাচার গোবিন্দ শর্মা। তিনি বলেন, ‘সাপ দেখলে মেরে ফেলবেন না। বন দফতরে খবর দিন। সঙ্গে সঙ্গে এলাকায় পৌঁছে সাপ উদ্ধার করা হবে।’
তিনি জানা, যতক্ষণ না কোনও প্রাণীকে উত্যক্ত করা হচ্ছে, তারা আক্রমণ করে না। এমনকী সাপও কারও ক্ষতি করে না।
