ঘটনাটি ঘটেছে গত ২১ জানুয়ারি৷ সূত্রের খবর, অভিযুক্ত বাবা কৃষ্ণ জয়সওয়াল মেয়েকে বাড়িতে পড়াচ্ছিলেন৷ তিনি শিশুকন্যাকে ৫০ পর্যন্ত গুণতে বলেন৷ কিন্তু বাচ্চাটি গুণতে না পারায় রাগে শিশুকে মারতে থাকে অভিযুক্ত বাবা৷ প্রবল প্রহারের ফলে কিছু পরেই অচৈতন্য হয়ে পড়ে শিশুটি৷ কয়েক মিনিট পরে অভিযুক্ত তাকে পার্শ্ববর্তী হাসপাতালে নিয়ে যায়৷ যদিও হাসপাতালে চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করে৷
advertisement
পুলিশ সূত্রে খবর, কৃষ্ণ জয়সওয়ালের স্ত্রী ঘটনার সময় বাড়িতে ছিলেন না৷ তিনি কাজের জন্য বাড়ির বাইরে ছিলেন৷ কন্যা সন্তানকে দেখাশোনা করাই ছিল কৃষ্ণের দায়িত্ব৷ মেয়ের মৃত্যুর খবর স্ত্রীকে দেওয়ার সময় কৃষ্ণ জানায় খেলতে খেলতে সিঁড়ি থেকে পড়ে যায় শিশুটি৷ সেকারণেই তার মৃত্যু হয়েছে৷ যদিও শিশুর নিথর দেহে একাধিক আঘাতের চিহ্ণ দেখে স্ত্রীর সন্দেহ হয়৷ তিনি পুলিশে রিপোর্ট করেন৷ পরে পুলিশের কাছে নিজের দোষ স্বীকার করেছে কৃষ্ণ৷
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, কৃষ্ণ জানিয়েছে শিশুটি স্কুলে যেত না৷ বাবা কৃষ্ণের কাছেই পড়ত সে৷ ৫০ পর্যন্ত গুণতে না পারায় প্রচণ্ড রেগে যায় কৃষ্ণ৷ সেকারণেই মেয়েকে প্রহার করে জয়সওয়াল৷ প্রসঙ্গত, পুলিশ সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, কৃষ্ণ জয়সওয়াল এবং তার স্ত্রীর মোট তিন সন্তান৷ একটি সাত বছরের পুত্র, ২ বছরের কন্যা এবং চার বছরের মৃত শিশু কন্যা৷ বেশ কয়েকবছর ধরেই কর্মসূত্রে দম্পতি ওই গ্রামের বাসিন্দা৷
