একইসঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে চলা তদন্তও দ্রুত শেষ করার নির্দেশ দিয়েছেন ইডি ডিরেক্টর। নির্দেশে
বলা হয়েছে, ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষের মোট পাঁচশোটি তদন্তাধীন কেস নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে শেষ করতে হবে। নতুন কেস এক থেকে দুই বছরের সময়সীমার টার্গেট নিয়ে শেষ করতে হবে।
তদন্তের নিষ্পত্তি করার ক্ষেত্রে দেওয়া হল ‘ডেডলাইন’৷
advertisement
ত্রৈমাসিক সম্মেলনে স্বীকার করা হয়েছে, ইডির তদন্তাধীন মামলা দীর্ঘদিন ধরে নিষ্পত্তি না হওয়া সংস্থার ইমেজের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। প্রসঙ্গত, এই ইস্যুকে কাজে লাগিয়ে একাধিক হেভিওয়েট নেতা জামিন পেয়ে গিয়েছেন। সর্বোচ্চ আদালত থেকে শুরু করে একাধিক কোর্টেও প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়েছে ইডিকে।
এক্ষেত্রে যেকোনও কেসে স্থানীয় পুলিশের অসহযোগিতা, নিজেদের আধিকারিকের অভাব, পরিকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা ইডির দৈনন্দিন কাজে অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, বঙ্গে আইপ্যাক মামলা ঘিরে হানা দেয় ইডি৷ কয়লা পাচার মামলায় গত মাসের শুরুতেই তৃণমূলের ভোট কুশলী সংস্থা আইপ্যাকের অফিস এবং সংস্থার প্রধান প্রতীক জৈনের বাড়িতে হানা দেয় ইডি আধিকারিকরা। এরপরই তদন্তে বাধা দেওয়ার অভিযোগে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। মুখ্যমন্ত্রী এবং রাজ্যকে জবাব দেওয়ার জন্য দু’সপ্তাহ সময় দেওয়া হয়েছিল।
প্রসঙ্গত, এই মামলায় বিচারপতি প্রশান্তকুমার মিশ্র এবং বিচারপতি বিপুল মনুভাই পাঞ্চোলির বেঞ্চে মামলার শুনানি শুরু হওয়ার কিছুক্ষণ আগে কেন্দ্রের আইনজীবী আবেদন জানান তাদের তরফে জবাব দিতে কিছু সময় লাগবে।
