এই সংকট নিয়ে বিস্তারিত তদন্তের পর DGCA, বিমান সংস্থা IndiGo-কে ২২.২০ কোটি টাকার জরিমানা ধার্য করেছে। পাশাপাশি, এয়ারলাইনকে DGCA-র পক্ষে ৫০ কোটি টাকার ব্যাংক গ্যারান্টি জমা দিতে বলা হয়েছে, যাতে নির্দেশিকা মানা হয় এবং এই বিপর্যয়ের যাতে আর না ঘটে তা নিশ্চিত করা যায়।
advertisement
DGCA জানিয়েছে, সেই ২,৫০৭টি IndiGo ফ্লাইট বাতিল হয়েছিল এবং ১,৮৫২টি ফ্লাইট দেরিতে ছেড়েছিল ৩ থেকে ৫ ডিসেম্বরের মধ্যে, যার ফলে তিন লাখ যাত্রী দেশের বিভিন্ন বিমানবন্দরে আটকে পড়েছিলেন। DGCA-র তরফে চার সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়, যারা এই অপারেশনাল ব্যর্থতার পেছনের পরিস্থিতি নিয়ে পূর্ণাঙ্গ পর্যালোচনা ও মূল্যায়ন করেছে।
IndiGo-র বিপর্যয়ের প্রধান কারণ
নেটওয়ার্ক প্ল্যানিং, রোস্টারিং ও সফটওয়্যার নিয়ে বিস্তারিত তদন্ত এবং সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের বক্তব্য শোনার পর, কমিটি জানিয়েছে, এই বিপর্যয়ের প্রধান কারণ ছিল পরিকল্পনার অভাব, সিস্টেম সফটওয়্যারে সমস্যা এবং IndiGo-র ম্যানেজমেন্ট স্ট্রাকচার ও অপারেশনাল কন্ট্রোলে দুর্বলতা।
DGCA এটাও স্বীকার করেছে, IndiGo খুব দ্রুত তাদের ফ্লাইট অপারেশন স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে এনেছিল, এবং স্বল্প সময়ের মধ্যেই পরিষেবা স্বাভাবিক হয়েছিল।
DGCA-র আদেশে IndiGo-র প্রতিক্রিয়া
এদিকে, IndiGo-র চেয়ারম্যান এবং InterGlobe Aviation Limited-এর বোর্ড অফ ডিরেক্টরস এক বিবৃতি দিয়েছেন, যেখানে DGCA-র আদেশ মেনে নেওয়ার কথা জানানো হয়েছে এবং যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। ইন্ডিগো জানিয়েছে, আমরা এই সুযোগে আমাদের সব স্টেকহোল্ডার, বিশেষ করে আমাদের মূল্যবান গ্রাহকদের জানাতে চাই, বোর্ড এবং IndiGo-র ম্যানেজমেন্ট DGCA-র আদেশকে সম্পূর্ণ গুরুত্ব দিচ্ছে এবং চিন্তাভাবনা ও সময়োপযোগীভাবে যথাযথ ব্যবস্থা নেবে।
