পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ২০ ফেব্রুয়ারি হরিয়ানা পুলিশের কাছ থেকে প্রথম খবর আসে। গুরুগ্রামের একটি হাসপাতালে এক ব্যক্তিকে মৃত ঘোষণা করা হয়েছে এবং আরেকজনকে ছুরির আঘাতে ভর্তি করা হয়েছে বলে জানানো হয়। ঘটনাস্থল আয়া নগর হওয়ায় তদন্তভার নেয় দিল্লি পুলিশ।
আরও পড়ুনঃ গোবিন্দভোগ, তুলাইপঞ্জির সঙ্গেই রাষ্ট্রপুঞ্জের হেরিটেজ তকমা পেল কনকচূড় ধানের চাল
advertisement
প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, মৃত সন্দীপ লোহিয়া (৩৮) ও তাঁর বন্ধু ঋষি একটি ডি-জে অনুষ্ঠানের কাজ সেরে রাতের দিকে ডেরা গ্রাম থেকে ফিরছিলেন। তাঁদের মিনিট্রাকটি আয়া নগরের গণপতি গার্ডেনের কাছে পৌঁছলে দেখা যায় একটি গাড়ি রাস্তা আটকে দাঁড়িয়ে আছে। রাস্তা ছাড়তে বলায় গাড়িচালকের সঙ্গে তর্ক বাধে। পুলিশ জানায়, পথ ছাড়ার জায়গা নিয়ে বচসা বাড়তে বাড়তে হাতাহাতির রূপ নেয় এবং অভিযুক্ত গাড়িচালক ছুরি বের করে দুইজনের উপর হামলা চালায়।
দু’জনকেই গুরুগ্রামের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে সন্দীপ লোহিয়াকে মৃত ঘোষণা করা হয়। ঋষি বর্তমানে চিকিৎসাধীন, তাঁর অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানিয়েছে পুলিশ।
তদন্তে নেমে সোনিপতের বাসিন্দা ৩২ বছরের অভিযুক্ত রবি-কে গ্রেফতার করা হয়েছে। তিনি গুরুগ্রামের একটি বেসরকারি সংস্থায় ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কাজ করেন এবং একটি বিয়েবাড়িতে যোগ দিতে আয়া নগরে এসেছিলেন বলে জানা গিয়েছে। অভিযুক্তের দাবি, তাঁকে চড় মারা হয়েছিল, এরপরই তিনি ছুরি বার করেন। পুলিশ তাঁর দাবি খতিয়ে দেখছে এবং ঘটনাকালে তিনি মদ্যপ ছিলেন কি না তা জানতে রক্তের নমুনা পরীক্ষায় পাঠানো হয়েছে। ঘটনায় ব্যবহৃত ছুরিটিও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। এই ঘটনায় ১০৩(১) (খুন) ও ১০৯(১) (খুনের চেষ্টা) ধারায় ফতেহপুর বেরি থানায় মামলা রুজু হয়েছে।
