অভিযুক্তের নাম কৃষ্ণ দাজী আষ্টঙ্কর (৫৬)। সে তার শ্বাশুড়ি বাবি দাজী উসারে (৭২)-কে নির্মমভাবে হত্যা করে এবং পরে নিজেও আত্মঘাতী হয়।
কেন ঘটল এই হত্যাকাণ্ড? জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত কৃষ্ণের স্ত্রী প্রায় পাঁচ-ছয় মাস আগে তাকে ছেড়ে চলে যান এবং তার মায়ের কাছে থাকতে শুরু করেন। কৃষ্ণ একজন ড্রাইভার ছিল এবং স্ত্রীর চলে যাওয়ায় সে মানসিকভাবে বিধ্বস্ত হয়ে পড়েছিল।
advertisement
বহুবার স্ত্রীকে ফিরে আসতে বললেও, সে রাজি হয়নি। কৃষ্ণ মনে করত, তার শ্বাশুড়িই স্ত্রীকে প্রভাবিত করে তাকে ছাড়তে বাধ্য করেছে। তাই প্রতিশোধ নিতে এই চরম পদক্ষেপ নেয়।
কীভাবে ঘটল এই ভয়ংকর হত্যাকাণ্ড? ২৪ ফেব্রুয়ারি, ঘটনার দিন, কৃষ্ণ শ্বাশুড়ির বাড়িতে যায়। সে সেখানে কোনও ঝগড়া করেনি বা কোনও সন্দেহের উদ্রেক করেনি। বরং সে এক চতুর পরিকল্পনা করে।
আরও পড়ুন: স্বামীর সঙ্গে ভয়ঙ্কর ঝগড়া, ৩ সন্তানকে কুয়োয় ছুঁড়ে দিল মা! তারপর যা হল…
সে শ্বাশুড়িকে বলে, তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাবে। বৃদ্ধা এতে বিশ্বাস করে এবং গাড়িতে উঠে পড়েন। কৃষ্ণ সঙ্গে সঙ্গে মিনি-ট্রাকের শাটার বন্ধ করে দেয় এবং হঠাৎ করে শ্বাশুড়ির ওপর নির্মম আক্রমণ শুরু করে।
সে ভারী বস্তু দিয়ে বৃদ্ধাকে একাধিকবার আঘাত করে, যাতে তিনি প্রতিরোধ করার সুযোগ না পান। এরপর, সে শ্বাশুড়ির গায়ে পেট্রল ঢেলে আগুন লাগিয়ে দেয়।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত লোকেরা ভয়াবহ দৃশ্য দেখে হতবাক হয়ে যায়। কৃষ্ণও নিজেকে আগুন লাগিয়ে আত্মহত্যা করে।
নাভঘর থানার পুলিশ এবং ফায়ার ব্রিগেড ঘটনাস্থলে ছুটে আসে, কিন্তু ততক্ষণে দেহগুলি পুড়ে যায়। দু’জনকেই ভীর সাভারকর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, যেখানে তাদের মৃত ঘোষণা করা হয়।
এই ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। নাভঘর পুলিশ সম্পূর্ণ বিষয়টি খতিয়ে দেখছে এবং কৃষ্ণের স্ত্রীর বয়ানও নেওয়া হচ্ছে।
