ঘটনাটি প্রথমবার প্রকাশ্যে আসে গত মাসে৷ নির্যাতিতা কিশোরী তার মায়ের কাছে পুরো ঘটনার কথা জানানোর পরেই জানাজানি হয় ধর্ষণ কাণ্ড৷ এরপর পরিবারের পক্ষ থেকে ১৮ ফেব্রুয়ারি জেলা শিশু কল্যাণ কমিটি (CWC)-র কাছে অভিযোগ দায়ের করা হয়। অভিযোগের ভিত্তিতে সিডব্লিউসি সদস্যরা পরদিন স্কুলে গিয়ে তদন্ত করেন এবং ঘটনাটিকে “অত্যন্ত সংবেদনশীল” বলে উল্লেখ করেন। অভিযুক্তদের রবিবার আদালতে তোলা হবে।
advertisement
নাবালিকার বাবা এবং জেলার চাইল্ড ওয়েলফেয়ার কমিটি (CWC)-র পক্ষ থেকে দুটি পৃথক মামলা দায়ের করা হয়েছে৷ অভিযোগে বলা হয়, অভিযুক্ত শিক্ষকরা দীর্ঘদিন ধরে নাবালিকাকে ধর্ষণ করেছেন।
সিডব্লিউসি সদস্য স্বাগতিকা পাত্রা সংবাদসংস্থা পিটিআই-কে জানান, “১৮ ফেব্রুয়ারি অভিযোগ পাওয়ার পর ৪৮ ঘণ্টার তদন্ত শেষে আমরা আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিষয়টি পুলিশের হাতে তুলে দিই।” পাশাপাশি জেলা শিক্ষা আধিকারিককেও পৃথক তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
রাজকানিকা থানার আইআইসি সঞ্জয় মল্লিক জানান, “দুটি অভিযোগের ভিত্তিতে আইন মেনে নাবালিকার বয়ান রেকর্ড করা হয়েছে। অভিযুক্ত ও নির্যাতিতার মেডিক্যাল পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তের ভিত্তিতে অভিযুক্ত শিক্ষকদের গ্রেফতার করা হয়েছে।”
ঘটনাকে কেন্দ্র শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানুতোরও৷ বিরোধী দল বিজেডি কেন্দ্ৰাপাড়ার পুলিশ সুপারের কাছে স্মারকলিপি জমা দিয়ে দোষীদের কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছে৷ ঘটনায় শিশুদের যৌন নির্যাতন প্রতিরোধ আইন (পকসো) এবং ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (বিএনএস)-এর প্রাসঙ্গিক ধারায় মামলা রুজু হয়েছে। পুলিশ আরও তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।
