উত্তরাখণ্ড সরকারের বিজ্ঞপ্তি অনুসারে, যমুনোত্রী এবং গঙ্গোত্রীর দরজা খুলবে ১৯ এপ্রিল। কেদারনাথ ২২ এপ্রিল এবং বদ্রীনাথ ২৩ এপ্রিল খোলা হবে। শ্রী হেমকুণ্ড সাহেব সম্পর্কে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা পরে হবে। উত্তরাখণ্ড সরকার জানিয়েছে, ভারতীয় তীর্থযাত্রীরা আধার কার্ড ব্যবহার করে ২০২৬ সালের চারধাম যাত্রার জন্য রেজিস্ট্রেশন করতে পারবেন, বিদেশি তীর্থযাত্রীদের ক্ষেত্রে ইমেল আইডি প্রয়োজন। তবে যদি আপনি ভারতীয় নাগরিক হন, আর আপনার আধার কার্ড না থাকে, তাহলে তাঁদের জন্য যাত্রা শুরুর দু’দিন আগে খুলবে কাউন্টার।
advertisement
আরও পড়ুনঃ কংগ্রেস গড় কান্দিতে বড় চমক! সম্ভাব্য প্রার্থীর নাম জানালেন অধীর, কে এই শামিম রানা? চিনে নিন তাঁকে…
কাউন্টারগুলিতে রেজিস্ট্রেশন শুরু হবে ১৭ এপ্রিল, মন্দিরের দরজা খোলার দু’দিন আগে। ঋষিকেশের রেজিস্ট্রেশন কেন্দ্র এবং ট্রানজিট ক্যাম্প, হরিদ্বারের ঋষিকুল গ্রাউন্ডের রেজিস্ট্রেশন কেন্দ্র এবং দেরাদুনের বিকাশ নগরের রেজিস্ট্রেশন কেন্দ্রে পাওয়া যাবে। তীর্থযাত্রীরা যে কোনও তথ্য বা অসুবিধার জন্য টোল-ফ্রি নম্বর ০১৩৫-১৩৬৪ নম্বরে ফোন করতে পারবেন। উত্তরাখণ্ড সরকার চারধাম যাত্রায় ভ্রমণকারী সকল তীর্থযাত্রীদের যাত্রা শুরু করার আগে রেজিস্ট্রেশন করার জন্য অনুরোধ করেছে, যাতে যাত্রা সুষ্ঠু ও সুসংগঠিত হয়।
ধর্মীয় বিশ্বাস অনুসারে, যমুনোত্রী থেকে যাত্রা করা তীর্থযাত্রীরা চারধাম যাত্রার সময় যে কোনও বাধা থেকে মুক্ত থাকেন। যমুনোত্রী হল যমুনা নদীর উৎপত্তিস্থল। যমুনা হলেন যমরাজের বোন এবং তাঁর জলের মাধ্যমে সকলের দুঃখ দূর করার আশীর্বাদ লাভ করেছেন। বিশ্বাস করা হয়, যমুনোত্রীতে স্নান করলে ভক্তরা মৃত্যুর ভয় থেকে মুক্তি পান। প্রতি বছরের মতো, এ বছরও লক্ষ লক্ষ তীর্থযাত্রী কেদারনাথ, বদ্রীনাথ, গঙ্গোত্রী এবং যমুনোত্রী ধামে যাবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
