প্রসঙ্গত, বাজেট অধিবেশের গোড়া থেকেই স্পিকারের বিরুদ্ধে পক্ষপাতমূলক আচরণের অভিযোগে সরব হয়েছিলেন কংগ্রেস-সহ বিরোধী সাংসদের একাংশ। পরে স্পিকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনে কংগ্রেস।
স্পিকারের বিরুদ্ধে আনা অনাস্থা প্রস্তাবে সেই সময় সই করেনি তৃণমূল কংগ্রেস। কিন্তু কেন? অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সংসদ চত্বরে দাঁড়িয়ে দলীয় অবস্থান স্পষ্ট করেছিলেন, জানিয়েছিলেন, কেন তাঁরা তড়িঘড়ি অনাস্থা প্রস্তাব আনার পক্ষে নন। কিন্তু এবার তৃণমূল সূত্রের খবর, চেয়ারপার্সনের নির্দেশে, ভোটাভুটিতে অংশগ্রহণ করে অনাস্থা প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দিতে চলেছেন তৃণমূল সাংসদেরা।
advertisement
প্রসঙ্গত, বাজেট অধিবেশনে, বিরোধী দলনেতাকে বলতে না দেওয়া, বিজেপি সাংসদদের ব্যপারে পক্ষপাতমূলক আচরণ এবং ৮ বিরোধী সাংসদকে সাসপেন্ড করার বিরোধিতা করেই এই অনাস্থা প্রস্তাব আনা হয়।
গত ১১ ফেব্রুয়ারি, কংগ্রেস সাংসদ গৌরব গগৈ জানিয়েছিলেন, সংবিধানের ৯৪সি ধারার অধীনে স্পিকার পদ থেকে অপসারণের জন্য ওম বিড়লার বিরুদ্ধে একটি নোটিস জমা দিয়েছেন তাঁরা৷ লোকসভার মহাসচিবের কাছে নোটিসটি জমা দেওয়া হয়।
গগৈ সেই সময় জানিয়েছিলেন, ‘‘বিকাল ১.১৪ মিনিটে আমরা ৯৪(সি) ধারা অনুযায়ী স্পিকার ওম বিড়লার অপসারণের দাবিতে অনাস্থা প্রস্তাব পেশ করেছি। উদ্বেগের বিষয় হল, এলওপি (বিরোধীদলীয় নেতা, কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী) কে (সংসদে) বহুবার কথা বলতে দেওয়া হয়নি। অনেক বিরোধী দলই এই উদ্বেগ প্রকাশ করেছে৷’’
সংবিধানের ৯৪(সি) অনুচ্ছেদ লোকসভার স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকারকে অপসারণের অনুমতি দেয়। এতে বলা হয়েছে যে, নিম্নকক্ষের তৎকালীন সকল সদস্যের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে পাস হওয়া একটি প্রস্তাবের মাধ্যমে স্পিকার পদ থেকে অপসারণ করা যেতে পারে৷ তবে প্রস্তাবটি উত্থাপনের আগে ১৪ দিনের নোটিস প্রয়োজন।
