নবনির্বাচিত সাংসদরা ১৭ ফেব্রুয়ারি শপথ নেবেন বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. শেখ আবদুর রশিদ। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহম্মদ ইউনূস জানিয়েছেন, নতুন মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠানে ১৩টি দেশের রাষ্ট্রপ্রধান বা সরকারপ্রধানদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। আমন্ত্রিত দেশগুলির তালিকায় রয়েছে চিন, সৌদি আরব, ভারত, পাকিস্তান, তুরস্ক, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি, কাতার, মালয়েশিয়া, ব্রুনেই, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, মালদ্বীপ এবং ভুটান।
advertisement
বিহারের তরুণীর প্রেমে বীরভূমের গৃহবধূ! স্বামী, সন্তান ছেড়ে ডিভোর্সের আবেদন রামপুরহাট আদালতে
প্রধানমন্ত্রী মোদির শুভেচ্ছাবার্তার জবাবে এক্স হ্যান্ডলে বিএনপি লিখেছে, জাতীয় নির্বাচনে দলের নিরঙ্কুশ জয়ের ক্ষেত্রে তারেক রহমানের নেতৃত্বকে স্বীকৃতি জানানোর জন্য তারা কৃতজ্ঞ। পাশাপাশি ভারত-বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সংবেদনশীলতা এবং আঞ্চলিক শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধির লক্ষ্যকে সামনে রেখে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার আশাবাদও প্রকাশ করেছে দলটি।
নির্বাচনে জয়ের পর শুক্রবার তারেক রহমানের সঙ্গে প্রথম টেলিফোন কথোপকথনে প্রধানমন্ত্রী মোদি দুই দেশের সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার বিষয়ে একসঙ্গে কাজ করার ইচ্ছা প্রকাশ করেন। বাংলাদেশের নতুন সরকার গঠনের পর ভারতের অংশগ্রহণ কোন স্তরে হয়, তা কূটনৈতিক মহলে বিশেষভাবে নজরকাড়া বিষয় হয়ে উঠেছে। কারণ, তা-ই ভবিষ্যতে দুই দেশের সম্পর্কের গতিপথ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে।
৬০ বছর বয়সি তারেক রহমান ৩৫ বছর পর দেশের প্রথম পুরুষ সরকারপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব নিতে চলেছেন বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে।
বাংলাদেশের পার্লামেন্ট ভবনে অনুষ্ঠিত হবে খালেদা জিয়ার পুত্র তারেক রহমানের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান। বিএনপি সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই দিন সকাল থেকেই নবনির্বাচিত সাংসদদের শপথগ্রহণ পর্ব শুরু হবে। দিনের শেষে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন তারেক রহমান এবং তাঁর মন্ত্রিসভার সদস্যরা। গোটা অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করবেন বাংলাদেশের প্রধান নির্বাচন কমিশনার আম নাসির উদ্দিন। দক্ষিণ এশিয়ার একাধিক দেশের রাষ্ট্রনেতাদের উপস্থিত থাকার সম্ভাবনার কথাও জানা গিয়েছে।
নবনির্বাচিত সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার জন্য ১৩টি দেশের রাষ্ট্রপ্রধান বা সরকারপ্রধানকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের মুখ্য উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস। কূটনৈতিক সূত্রের মতে, এর মধ্যে ভারতের আমন্ত্রণ বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক ঐতিহাসিক ও বহুমাত্রিক। তবে হাসিনা-পরবর্তী পরিস্থিতিতে বাংলাদেশে ভারতবিরোধী মনোভাবের উত্থান লক্ষ্য করা গিয়েছিল। সেই প্রেক্ষাপটে নতুন সরকারের আমলে দুই দেশের সম্পর্ক কোন পথে এগোয়, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলেও আগ্রহ তৈরি হয়েছে।
আমন্ত্রণ গ্রহণ করলেও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ঢাকায় উপস্থিত থাকার সম্ভাবনা কম বলেই সূত্রের খবর। ওই দিনই মুম্বইয়ে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইম্যানুয়েল ম্যাক্রোঁর সঙ্গে তাঁর নির্ধারিত কর্মসূচি রয়েছে। তবে মোদি উপস্থিত না থাকলে ভারতের তরফে বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর বা উপরাষ্ট্রপতি সিপি রাধাকৃষ্ণাণ শপথ অনুষ্ঠানে প্রতিনিধিত্ব করতে পারেন বলে কূটনৈতিক মহলে জল্পনা।
