শুক্রবার ওই অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত রিয়াজ হামিদুল্লাহ বলেন, ‘‘আজ সন্ধ্যায় আমি এক ভারতীয় বন্ধুকে খুব মিস করছি, যাঁর সঙ্গে আমার গত জুলাই মাসে গুয়াহাটিতে দেখা হয়েছিল, জুবিন গর্গ। জুবিন আমাকে কথা দিয়েছিলেন যে তিনি এই মঞ্চে উপস্থিত থাকবেন এবং বাংলাদেশ ও ভারতের জাতীয় সংগীত পরিবেশন করবেন৷ যে দুটি গানেরই স্রষ্ঠা নোবেলজয়ী কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর৷ কিন্তু আসাম, উত্তর-পূর্ব ভারত এবং বাংলাদেশের লক্ষ লক্ষ মানুষের গভীর দুঃখের বিষয়, তিনি আমাদের ছেড়ে চিরনিদ্রায় শায়িত হয়েছেন…’’
advertisement
আরও পড়ুন: ‘ওরা রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করলে আমি একাই একশো হয়ে লড়ব!’ বীরভূমের মাটি থেকে হুঙ্কার মমতার
প্রসঙ্গত ২০২৫ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর, স্কুবা ডাইভিং করতে গিয়ে মৃত্যু হয় জনপ্রিয় সঙ্গীতশিল্পীর। সিঙ্গাপুরে উত্তর-পূর্ব ভারত উৎসব-এ সাংস্কৃতিক দূত হয়ে গিয়েছিলেন তিনি। সেখানেই অনুষ্ঠানের ফাঁকে স্কুবা ডাইভিং করতে গিয়েছিলেন জুবিন। প্রাথমিক তদন্তে জানান হয়েছিল, জলের নিচে শ্বাসকষ্ট হওয়ার কারণেই মৃত্যু হয়েছে তাঁর। কিন্তু সম্প্রতি সিঙ্গাপুর পুলিশ কোস্ট গার্ডের পক্ষ থেকে প্রকাশ করা হয়েছে, কীভাবে মৃত্যু হয়েছিল জুবিনের।
সিঙ্গাপুরের কর্মকর্তারা প্রকাশ করেন, জলে নামার আগে, ৩ রকম মদ্যপান করেছিলেন জুবিন। তিনি একসঙ্গে জিন, ভডকা এবং হুইস্কি পান করেছিলেন বলে জানা গিয়েছে। পাশাপাশি আরও দাবি করা হয়েছে, জুবিন জলে নামার আগে লাইফ জ্যাকেট পরতেও অস্বীকার করেছিলেন। এর আগে অভিযোগ করা হয়েছিল, জুবিনকে বোধহয় জলে ধাক্কা মেরে ফেলে দেওয়া হয়েছে। তবে এই খবর, নাকচ করে দিয়েছে সিঙ্গাপুরের তদন্তকারী দল। জানানো হয়েছে, জুবিন নিজের ইচ্ছেতেই জলে নেমেছিলেন। যদিও অসমের জনগণ এই তথ্য মানতে নারাজ।
