দুর্ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারিয়েছেন বাস ও লরির চালক এবং লরির ক্লিনার৷ তাঁদের দেহ এতটাই পুড়ে গিয়েছে, যে শনাক্তকরণ কার্যত অসম্ভব বলে জানিয়েছে পুলিশ৷ ঘটনাস্থলে নজিরবিহীন সাহসের সাক্ষ্য রেখেছন এক পণ্যবাহী গাড়ির চালক৷ তিনি জ্বলন্ত বাসের জানালা ভেঙে উদ্ধার করেন যাত্রীদের৷ আগুন থেকে বাঁচতে ১০ জন আহত যাত্রী লাফ দেন বাস থেকে৷ দুর্ঘটনাস্থলে পৌঁছন পুলিশকর্তা এবং দমকলকর্মীরা৷ আটকে পড়া যাত্রীদের উদ্ধার করে পাঠানো হয় হাসপাতালে৷ সেখানে তাঁদের চিকিৎসা চলছে৷ তাঁদের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানানো হয়েছে হাসপাতাল সূত্রে৷ দুর্ঘটনাস্থলে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন দমকলকর্মীরা৷ বাসের ৩৬ জন যাত্রীই নিরাপদে আছেন৷ সামান্য আহতদের চিকিৎসা চলছে হাসপাতালে৷
advertisement
দুর্ঘটনার ফলে বেশ কয়েক ঘণ্টা ধরে যানবাহন চলাচলে ব্যাপক ব্যাঘাত ঘটে, কারণ অগ্নিনির্বাপক বাহিনী এবং পুলিশ আগুন নেভাতে এবং ক্ষতিগ্রস্ত যানবাহনগুলি সরিয়ে নেওয়ার জন্য অবিরাম কাজ করে। দমকল কর্মীরা অবশেষে আগুন নেভাতে সক্ষম হয়, কিন্তু দুটি গাড়িই সম্পূর্ণরূপে পুড়ে যায়। ঘটনার তদন্ত চলছে৷ কোন কারণে দুর্ঘটনা, খতিয়ে দেখছে পুলিশ৷
২০২৫ সালের অক্টোবরে রাজ্যের অন্ধ্রপ্রদেশের কুর্নুল জেলায় একই রকম একটি দুর্ঘটনা ঘটেছিল , যেখানে একটি বাসে আগুন লেগে ২০ জন যাত্রীর মৃত্যু হয়েছিল। সাম্প্রতিক ঘটনাটি আবারও যানবাহনের নিরাপত্তা, রাতের ভ্রমণের ঝুঁকি এবং বেসরকারি দূরপাল্লার বাসগুলির জন্য কঠোর রক্ষণাবেক্ষণ পরীক্ষা-নিরীক্ষার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে উদ্বেগ সামনে আনল।
