তিনি আরও বলেন, ‘‘এটি একটি অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা। প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে যে পাইলট রানওয়ে দেখতে পাচ্ছিলেন না… তিনি একজন অত্যন্ত অভিজ্ঞ পাইলট ছিলেন, ১৬,০০০ ঘণ্টারও বেশি অভিজ্ঞতা ছিল তার। সহ-পাইলটেরও ১৫০০ ঘণ্টার অভিজ্ঞতা ছিল। ক্যাপ্টেন অত্যন্ত অভিজ্ঞ ছিলেন। তিনি সাহারা, জেটলাইট, জেট এয়ারওয়েজের সঙ্গে কাজ করেছেন এবং এই ধরনের বিমানেও তিনি অত্যন্ত অভিজ্ঞ ছিলেন… বিমানটি খুব ভালভাবে রক্ষণাবেক্ষণ করা হয়েছিল। বিমানে কোনও সমস্যা ছিল না, আমাদের জানা মতে বিমানে কোনও প্রযুক্তিগত ত্রুটি ছিল না… আমার গভীর সমবেদনা। ক্যাপ্টেন সুমিত কাপুর আমার খুব ভাল বন্ধু ছিলেন। তিনি আমার ভাইয়ের মতো ছিলেন। তাঁর ছেলেও আমাদের সঙ্গে পাইলট হিসেবে কাজ করে। ক্যাপ্টেন শম্ভবী পাঠক আমার মেয়ের মতো ছিলেন। ওঁরা দু’জনেই অত্যন্ত ভাল মানুষ এবং অত্যন্ত ভাল পাইলট ছিলেন…৷’’
advertisement
এর আগেও এই সংস্থার বিমান মুম্বই বিমানবন্দরে দুর্ঘটনায় পড়েছিল। ২০২৩ সালের বিমান দুর্ঘটনার ঘটনা সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘‘২০২৩ সালে যা ঘটেছিল তা মুম্বই বিমানবন্দরে হয়েছিল। তখনও বৃষ্টি হচ্ছিল এবং দৃশ্যমানতা কম ছিল। অবতরণের পর পাইলট রানওয়ে থেকে ছিটকে যান। তাই সেই ঘটনাটি ছিল অন্যরকম।’’
