অভিষেকের কটাক্ষ, ‘স্পষ্টতই বিজেপির বৈমাত্রেয় মনোভাব প্রকাশ পেয়েছে। আমরা গত পাঁচ বছর ধরে এই কথা বলে আসছি: এই সরকার যদি একটি শ্বেতপত্র প্রকাশ করে দেখাতে পারে যে, ২০২১ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির ভরাডুবির পর এমজিএনআরইজিএ-র অধীনে বাংলার একজন জব-কার্ডধারীও ডাইরেক্ট বেনিফিট ট্রান্সফারের মাধ্যমে টাকা পেয়েছেন, তাহলে আমি রাজনীতি ছেড়ে দেব।’
advertisement
তাঁর দাবি, ‘তারা যদি দেখাতে পারে যে গত চার বছরে আবাস যোজনার অধীনে—যেখানে কেন্দ্র ৬০% তহবিল প্রদান করে—বাংলার একজন ব্যক্তিও তহবিল পেয়েছেন, তাহলে আমি রাজনীতি ছেড়ে দেব। ২০২১ সালের নির্বাচনের ভরাডুবির পর তারা গ্রামীণ সড়ক যোজনার অধীনে বাংলাকে ১০ পয়সাও দেয়নি।’
অভিষেকের তোপ, ‘বাংলায় তারা হারছে, তাই বিজেপি তাদের বৈমাত্রেয় মনোভাব নিয়ে বাংলার মানুষকে শিক্ষা দেওয়ার চেষ্টা করছে। কিন্তু গণতন্ত্রে বিষয়টি উল্টোভাবে কাজ করে। আসন্ন নির্বাচনে জনগণ বিজেপিকে যোগ্য জবাব দেবে।’
মৈত্রেয়ী ভট্টাচার্য
