তালানপুরের বাসিন্দা পঞ্চম শ্রেণির ওই ছাত্রীর নাম ছিল দিব্যা৷ গত ২৩ ফেব্রুয়ারি সকাল ৭টা ২৮ মিনিটে এই ঘটনা ঘটে৷ তখনও সকালের প্রার্থনা হয়নি৷ বাচ্চারা স্কুলের মাঠে খেলছে৷ দিব্যাও প্রথমে খেলছিল, কিন্তু, হঠাৎ করেই সে টলে যায় এবং অজ্ঞান হয়ে পড়ে যায়৷
দিব্যার পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, তাঁর এক বড় দাদা অভিষেকও গত ৪ মাস আগে ঠিক একই রকম ভাবে মারা গিয়েছিল৷ ২০২৫ সালের ৯ সেপ্টেম্বর বাড়িতে খেলার সময় হঠাৎই অজ্ঞান হয়ে যায় অভিষেক৷ তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করে৷
advertisement
এত কম সময়ের মধ্যে দুই ভাই বোনের এরকম একই ভাবে মৃত্যুর ঘটনায় গোটা পরিবার তথা এলাকার মানুষ শোকস্তব্ধ৷
হঠাৎ হৃদরোগে মৃত্যু (SCD) হল হৃদযন্ত্রের দ্রুত কার্যকারিতা হ্রাসের (কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট) কারণে হঠাৎ, অপ্রত্যাশিত মৃত্যু৷ প্রায়শই লক্ষণ শুরু হওয়ার এক ঘণ্টার মধ্যে এই ঘটনা ঘটে৷ এটি সাধারণত বৈদ্যুতিক ত্রুটির (যেমন ভেন্ট্রিকুলার ফাইব্রিলেশন) কারণে ঘটে যার ফলে হৃদপিণ্ডের স্পন্দন বন্ধ হয়ে যায়। এক্ষেত্রে বাঁচানোর জন্য তাৎক্ষণিক সিপিআর এবং ডিফাইব্রিলেশন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
যদিও প্রায়শই এটি হার্ট অ্যাটাকের (মায়োকার্ডিয়াল ইনউফ্র্যাকশন) সঙ্গে সম্পর্কিত৷ SCD হল প্রযুক্তিগতভাবে একটি বৈদ্যুতিক সমস্যা যেখানে হৃদস্পন্দন বন্ধ হয়ে যায়।
আরও পড়ুন: ‘পরিকল্পিত পদক্ষেপ,’ NCERT-র অষ্টম শ্রেণীর বই নিয়ে চূড়ান্ত ভর্ৎসনা সুপ্রিম কোর্টের
প্রায়শই কোনও সতর্কতা ছাড়াই লক্ষণ দেখা দেয়, তবে এর মধ্যে হঠাৎ অজ্ঞান হয়ে যাওয়া, বুকে ব্যথা, ধড়ফড়, বা মাথা ঘোরা অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে।
যদি কেউ পড়ে যান, জ্ঞান হারান এবং শ্বাস বন্ধ করে দেন, তাহলে অবিলম্বে জরুরি পরিষেবাগুলিতে কল করুন, হাতে-কলমে সিপিআর শুরু করুন এবং যদি পাওয়া যায় তবে একটি স্বয়ংক্রিয় বহিরাগত ডিফিব্রিলেটর (AED) ব্যবহার করুন।
