স্থানীয়দের থেকে জানা গিয়েছে, নির্যাতিতার পরিবার জানিয়েছে আতঙ্ক কাটিয়ে উঠতে পারেননি তরুণী৷ ভয়ঙ্কর আঘাতের যন্ত্রণা তাকে শারীরিক এবং মানসিক ভাবে দুর্বল হয়ে পড়েন তিনি৷ গুয়াহাটি হাসপাতালে তার চিকিৎসা চলছিল৷ সেখানেই শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করেন তিনি৷
দেশের সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত রিপোর্ট অনুযায়ী, তরুণীকে চারজন মিলে প্রথমে তার পরিচয় জিজ্ঞেস করে৷ শিউরে ওঠা অভিজ্ঞতায় তরুণী জানিয়েছিলেন তার পরিচয় জানার পর ওই চার জন তাকে কয়েকজন অস্ত্রধারীর হাতে তুলে দেয়৷ তারাই তরুণীকে গণধর্ষণ করে বলে অভিযোগ৷
advertisement
২০২৩ সালের ১৫ মে ঘটেছিল এই ঘটনা৷ তরুণীর বাড়ি ইম্ফলের নিউ চেক কলোনিতেই ঘটেছিল এই ঘটনা৷ তরুণীকে টাকা তুলতে বাড়ির কাছেই একটি এটিএম-এ গিয়েছিলেন৷ অভিযোগ সেখান থেকেই অপহরণ করা হয় তাকে৷
অভিযোগ, অপহরণের পর ইম্ফলের একাধিক জায়গায় দুষ্কৃতীরা নিয়ে যায় তরুণীকে৷ ওয়াংখেই, আয়াঙ্গপালি এবং লাঙ্গোলের মতো একাধিক জায়গায় তাকে একাধিকবার শারীরিক এবং যৌণ হেনস্থা করা হয়৷ বিষ্ণুপুরে তাকে মৃত ভেবে ফেলে দিয়ে যায়৷ এক অটোরিক্সা চালক তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়৷ মণিপুরে তার প্রাথমিক চিকিৎসা হয়৷ পরে তাকে গুয়াহাটির হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়৷ জানা গিয়েছে, তার শারীরিক আঘাত ছিল গভীর৷ নির্যাতিতার অভিযোগের ভিত্তিতে এফআইআর দায়ের করা হয়৷ যদিও এখনও পর্যন্ত এই ঘটনায় কোনও অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয় নি৷
