মুর্শিদাবাদের সামশেরগঞ্জ ও ফরাক্কা গঙ্গা ভাঙনে বিধ্বস্ত বললেও কম বলা হবে। সামনেই বর্ষার মরশুম। এই সময় নদী ভাঙন আরও ব্যাপক আকার ধারণ করতে পারে বলে আশঙ্কা। আর তাই বর্ষা আসার আগেই সামশেরগঞ্জের কামালপুর এলাকায় শুরু হয়েছে নদী বাঁধ মেরামতির কাজ। এখানকার বড় মসজিদের সামনে বাঁধ মেরামতির অঙ্গ হিসেবে খাঁচা তৈরি করছে ঠিকাদারের লোকজন। কিন্তু স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, কচি ও পচা বাঁশ দিয়ে গঙ্গার পাড় বাঁধানোর খাঁচা তৈরির কাজ চলছে। এতে ভাঙন সমস্যার কোনও সুরাহা হবে না বলে দাবি এলাকার মানুষের। পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, এইভাবে নিম্নমানের বাঁধ তৈরি করে লক্ষ লক্ষ টাকা মুনাফা করছেন ঠিকাদাররা।
advertisement
আরও পড়ুন: ভোটের বছরে ভারতের আরেক সিদ্ধান্তে খুশি ঢাকা
স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, কাঁচা বাঁশ নয়, পাকা বাঁশ দিয়ে করা হোক বাঁধের খাঁচার কাজ। পেশায় চিকিৎসক এক বাসিন্দার দাবি, এভাবে ভাঙন আটকানো যাবে না। সরকার টাকা খরচ করলেও ঠিকাদারদের অতিরিক্ত মুনাফার লোভের কারণে ভাঙন সমস্যা বেশি জটিল হয়ে উঠছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।
তবে নদীর বাঁধ মেরামতি নিয়ে বিতর্ক মুর্শিদাবাদে নতুন নয়। এর আগে বালির বস্তা দিয়ে গঙ্গার পাড় বাঁধানোকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছিল তীব্র বিতর্ক। আসলে নদী ভাঙন মুর্শিদাবাদের প্রধান সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। ফি বছর হাজার হাজার বিঘা জমি নদীগর্ভে তলিয়ে যাচ্ছে। শয়ে শয়ে মানুষ ভিটেমাটি হারিয়ে রাতারাতি রাজা থেকে ফকিরে পরিণত হচ্ছেন। এই অবস্থায় বাঁধ মেরামতের কাজে বিন্দুমাত্র গাফিলতি সহ্য করতে রাজি নন এই জেলার মানুষ।
কৌশিক অধিকারী





