থাইরয়েড: থাইরয়েড বিপাকের তত্ত্বাবধান করে। ফলে থাইরয়েডের সমস্যা থাকলে ওজন বেড়ে যায়। দ্রুত বিপাক ক্রিয়া ওজন কমাতে সাহায্য করে। তবে অতি দ্রুত বিপাকের ফল ক্ষতিকারক হতে পারে। দ্রুত ওজন হ্রাস কখনও কখনও অতিরিক্ত জটিলতা ডেকে আনে। যেমন হৃদস্পন্দন বৃদ্ধি, উদ্বেগ, ঝাঁকুনি, কাঁপুনি বা অনিদ্রা সবই অতিরিক্ত সক্রিয় থাইরয়েডের লক্ষণ।
advertisement
আরও পড়ুন: সারা বছর ধরে আম খেতে চান? উপায় আপনার হাতের মুঠোয়
অন্ত্রের রোগ: আচমকা ওজন হ্রাস সিলিয়াক ডিজিজ, ক্রোহন ডিজিজ, ল্যাকটোজ এবং অন্ত্রের ক্ষতির মতো অবস্থার কারণে ঘটে যা ম্যালঅ্যাবসরপশন ঘটায়৷ এর ফলে অন্ত্র প্রয়োজনীয় পুষ্টি শোষণে বাধা পায়। তবে গ্লুটেন-মুক্ত খাদ্য দিয়ে সহজেই এর চিকিৎসা করা যেতে পারে।
ক্যানসার: আচমকা ওজন হ্রাস ক্যানসারেরও লক্ষণ হতে পারে। যদি কেউ দেখে খাদ্যাভ্যাস, ব্যায়ামের রুটিন কিংবা স্ট্রেস লেভেলের কোনও পরিবর্তন ছাড়াই শরীরের ওজন আচমকা কমে যাচ্ছে তবে অবশ্যম্ভাবী সেটা ক্যানসারের মতো গুরুতর কিছুর লক্ষণ। ক্যাচেক্সিয়া একটি সিন্ড্রোম যা অনেক ক্যানসারের সঙ্গে যুক্ত। এটা গ্যাস্ট্রিক এবং অগ্ন্যাশয় ক্যানসারের পাশাপাশি ফুসফুস, মাথা এবং ঘাড়কে আক্রান্ত করে। পরবর্তী পর্যায়ে কোলারেক্টল ক্যানসারের রূপ নেয়।
আরও পড়ুন: ত্বকের জেল্লা ফিরিয়ে আনুন এক মিনিটে! জেনে নিন ভেষজ টোটকা! অবাক হবেন নিজেই
রিউমাটয়েড আর্থারাইটিস: রিউমাটয়েড আর্থারাইটিস একটি প্রদাহজনিত ব্যাধি। এতে শরীরের জয়েন্টগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়। রিউমাটয়েড আর্থারাইটিসের ফলে দ্রুত ওজন কমে যায়। কারণ প্রো-ইনফ্লেমেটরি সাইটোকাইনগুলি রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিসে প্রদাহ এবং শক্তি ব্যয় উভয়ই বাড়ায়। এর অর্থ শরীর প্রতিদিন আরও বেশি ক্যালোরি এবং চর্বি পোড়ায়। ৩০ ঠেকে ৫০ বছর বয়সীরা রিউমাটয়েড আর্থারাইটিসে আক্রান্ত হন সবচেয়ে বেশি।
মাদকাসক্তি: ড্রাগ বা মাদক সেবন করলেও ওজন কমে যায়। মাদকের নেশায় ব্যক্তি বুঁদ হয়ে থাকে। প্রায়ই দীর্ঘক্ষণ খিদে, তেষ্টার কথা মনে থাকে না তাঁদের। ফলে ওজন কমতে থাকে। মাদক সেবনে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও দুর্বল হয়ে যায়। এটাও ওজন হ্রাসের দিকে পরিচালিত করে। কিছু নেশা, যেমন সিগারেটের ধোঁয়া, খিদে কমিয়ে দেয়, ফলে ওজন হ্রাস হয়।
