১.উপাসনা গৃহ, মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের ইচ্ছানুসারে ১৮৯১ সালের ২১ ডিসেম্বর ‘উপসনা গৃহ’ প্রতিষ্ঠিত হয়। ঢালাই লোহা ও বেলজিয়ামের কাঁচ দিয়ে এই মন্দিরটি নির্মাণ করেছে ‘শিকদার কোম্পানি’। প্রতি বুধবার এখানে ব্রহ্ম উপাসনার রীতি রয়েছে।
২.শান্তিনিকেতন গৃহ: ‘শান্তিনিকেতন গৃহ’ থেকেই এই এলাকার নাম ‘শান্তিনিকেতন’ হয়েছে ৷ অর্থাৎ মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর শান্তিনিকেতন আশ্রম প্রতিষ্ঠার আগে থেকেই এই গৃহ ছিল ৷ আর এই তথ্যটি পাওয়া যায় রায়পুরের জমিদার প্রতাপ নারায়ণ সিংহের দলিল থেকে।
advertisement
৩.সঙ্গীত ভবন: নৃত্য ও সঙ্গীত চর্চার অন্যতম প্রাচীন প্রতিষ্ঠান। মনে করা হয় ১৯২৩ সালে দিনেন্দ্রনাথ ঠাকুর ও মারাঠি সঙ্গীত শিল্পী ভীমরাও শাস্ত্রীর তত্ত্বাবধানে ‘সঙ্গীতভবন’ গড়ে ওঠে । ৪.রবীন্দ্রভবন: বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মৃত্যুর পর কবিগুরুর স্মরণে ১৯৮২ সালে সংগ্রহশালার ‘রবীন্দ্রনাথ ভবন’ নামকরণ হয়। গুরুদেবের ব্যবহৃত মূল্যবান সমস্ত সামগ্রী, ছবি, সৃষ্টি এখানে প্রদর্শিত হয় ৷
৫.শ্রীনিকেতন কুঠি বাড়ি: জানা যায় ১৯১২ সালে কবিগুরু রায়পুরের জমিদারদের কাছ থেকে কুঠিবাড়িটি কিনে নেন। পরিত্যক্ত জঙ্গলময় কুঠি পরিষ্কার করে ১৯১৪ সালে কুঠিবাড়িতে গৃহপ্রবেশ হয়। সুরুল কুঠি বাড়িই ‘শ্রীনিকেতন কুঠিবাড়ি’ নামে পরিচিত। পরবর্তীতে কবিপুত্র রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর এই বাড়ি থেকে কৃষি গবেষণার কাজ শুরু করেন।
৬. সৃজনী শিল্পগ্রাম: ১৯৯৬ সালে ভারতের দ্বাদশ প্রধানমন্ত্রী এইচডি দোদ্দেগৌড়া দেব গৌড়া শান্তিনিকেতনে এই শিল্পগ্রামের উদ্বোধন করেন। এখানে এক একটি ঘরে পশ্চিমবঙ্গ-সহ অসম, ত্রিপুরা, মেঘালয়, মণিপুর, ওড়িশা, সিকিম, বিহার, ঝাড়খণ্ড, আন্দামান-নিকোবর প্রভৃতি ৯ টি প্রতিবেশী রাজ্যের লোকসংস্কৃতি প্রদর্শিত হয়। প্রত্যেকদিন হাজার হাজার পর্যটক এখানে ভ্রমণে আসেন।
সৌভিক রায়





