প্রায় ৮-১০ রকমের পিঠে থাকবে এখানে। এছাড়াও থাকবে মুড়ির মোয়া, তিলের নাড়ু, নারকেল নাড়ু। পর্যটকেরা ওই রিসোর্টের রেস্তোরায় এলেই একেবারেই তাদের সামনে লাইভ কাউন্টারে বানিয়ে দেওয়া হবে এই সমস্ত লোভনীয় পিঠে পুলি।
এ বিষয়ে ওই রিসোর্ট কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে জানা গিয়েছে, মর্ডান যুগের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে চলতে গিয়ে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী খাবারগুলি হারিয়ে যাচ্ছে। এখন সবাই প্যাকেজ খাবারের প্রতি আগ্রহ দেখাচ্ছে। তাই পর্যটকরা যাতে বেড়ানোর পাশাপাশি গ্রাম বাংলার এই ঐতিহ্যবাহী খাবার গুলির স্বাদ উপভোগ করতে পারে সেই কারণেই এই উদ্যোগ। এছাড়াও তাদের মূল আকর্ষণ যে সমস্ত পর্যটকেরা এই পিঠেপুলি বাড়ি নিয়ে যেতে চাইবেন তাদের পক্ষ থেকে বিশেষ প্যাকেজিং-এর মাধ্যমে সেই ব্যবস্থাও করে দেওয়া হবে। যাতে এই পিঠে দীর্ঘদিন সংরক্ষণ করা যায়।
advertisement
আরও পড়ুন : অপেক্ষা মাহেন্দ্রক্ষণে পুণ্যস্নানের, ভক্ত ও পুণ্যার্থীদের ভিড়ে জমে উঠেছে গঙ্গাসাগর মেলা
এ বিষয়ে ওই রেস্তোরাঁর রন্ধনশিল্পীরা বলেন, পুরুলিয়ায় এলে গ্রামীণ স্বাদ উপভোগ করা যায় তাই সেই ধারা বজায় রাখতে সমস্ত পিঠে-পুলি তাঁরা ঢেঁকিছাঁটা চাল ও নলেন গুড় দিয়ে তৈরি করছেন। এক সপ্তাহব্যাপী এই উৎসব পর্যটকদের মনে জায়গা করে নেবে বলেই তাঁদের ধারণা।
এ বিষয়ে অযোধ্যা পাহাড়ে বেড়াতে আসা বর্ণালী মুখোপাধ্যায় বলেন, অযোধ্যা পাহাড়ে তাঁরা বেড়াতে এসে পিঠে-পুলি উৎসবে অংশগ্রহণ করতে পারছেন। বর্তমানে এখন আর বাড়িতে বাড়িতে পিঠে তৈরি হয় না। তাই এই উৎসব হওয়ায় তারা খুবই খুশি।
মকর সংক্রান্তিতে পুরুলিয়ার অযোধ্যা পাহাড়ে বেড়ানোর পাশাপাশি পর্যটকদের রচনা তৃপ্তিতে একেবারেই নয়া সংযোজন পিঠে পুলি উৎসব। যা পর্যটকদের বেড়ানোর আনন্দকে দ্বিগুণ করে তুলছে।