এ বিষয়ে মন্দিরের অধ্যক্ষ অদ্বৈত দাস বাবাজি জানান, চলতি বছরের মধ্যেই মিউজিয়ামটি দর্শকদের জন্য খুলে দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল। তবে কিছু কাজ বিলম্বিত হওয়ায় উদ্বোধনে সামান্য দেরি হচ্ছে। তিনি বলেন, অনেকেই মহাপ্রভু শ্রীচৈতন্যদেবের জীবন ও তাঁর লীলাকথা সম্পর্কে সম্পূর্ণভাবে অবগত নন। সেই কারণেই এই মিউজিয়ামে মহাপ্রভুর জন্ম থেকে শুরু করে জীবনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় মূর্তির মাধ্যমে তুলে ধরা হচ্ছে, যাতে দর্শনার্থীরা সহজেই তার জীবন সম্পর্কে জানতে পারেন।
advertisement
প্রায় পাঁচতলা বিশিষ্ট এই মিউজিয়ামে মহাপ্রভুর জন্ম, শৈশব, কৈশোর, সন্ন্যাস গ্রহণ এবং বিভিন্ন লীলার দৃশ্য মূর্তির মাধ্যমে উপস্থাপন করা হবে। মোট প্রায় ৫০ থেকে ৬০টি মূর্তি স্থাপন করা হচ্ছে, যেগুলি ফাইবার দিয়ে তৈরি করা হচ্ছে। এই মূর্তি নির্মাণে স্থানীয় শিল্পীদের পাশাপাশি ওড়িশার কটক এবং নদিয়ার কৃষ্ণনগর ও ধুবুলিয়ার শিল্পীরাও কাজ করছেন। দর্শনার্থীদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে মিউজিয়ামে লিফটের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে, যাতে বয়স্ক ভক্ত ও পর্যটকদের ওঠানামায় কোনও অসুবিধে না হয়। সব মিলিয়ে এই মিউজিয়াম চালু হলে নবদ্বীপে ভক্ত ও পর্যটকদের ভিড় আরও বাড়বে বলে আশাবাদী সকলেই।