মন্দিরের সেবায়েতরা জানাচ্ছেন, ‘কিরীট’ কথাটি এসেছে করোটি বা মাথার খুলি থেকে। এর থেকেই নামকরণ কিরীটেশ্বরী। মন্দিরের প্রতিষ্ঠা ও পরবর্তী সময়ে সংস্কারের বিষয়েও নানা তথ্য উঠে এল দিলীপবাবুর কথা থেকে। তিনি জানান, ১১০৪ বঙ্গাব্দে মন্দির প্রতিষ্ঠা করেন নাটোরের রানি ভবানী। পরবর্তী সময়ে মহারাজা রাও যোগেন্দ্রনারায়ণ রাই ১৩৩৭ বঙ্গাব্দে এই মন্দিরের সংস্কার করেন। মুর্শিদাবাদ ভ্রমণে এলে অবশ্যই একদিন কিরীটেশ্বরী মন্দির ঘুরে দেখা উচিত। তবে মন্দিরে দেবীর কোনও মূর্তি নেই। এমনকি কোনও ছবিও এখানে পূজিত হয় না। শিলামূর্তিকেই দেবী রূপে পুজো করা হয়।
advertisement
এই শিলাটির রঙ লাল এবং শিলাটি একটি আবরণে ঢাকা থাকে। প্রতি বছর দুর্গাপূজার অষ্টমীতে এই আবরণটি পরিবর্তন করা হয়। বলা হয় সতীর কিরীটটি এই মন্দিরের কাছেই রানি ভবানীর গুপ্তমঠে রাখা আছে। প্রত্যেকটি সতীপীঠ বা শক্তিপীঠে দেবী এবং ভৈরব অধিষ্ঠিত থাকে। দেবী হলেন সতীর রূপ। ভৈরব হলেন দেবীর স্বামী। এখানে অধিষ্ঠিত দেবী বিমলা ও ভৈরব সংবর্ত নামে পরিচিত। বর্তমানে পৌষমাসের মেলাকে কেন্দ্র করে সেজে উঠছে এই সতীপীঠ কিরীটেশ্বরী মন্দির।