*ওটস খেলে বিভিন্ন রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া যেতে পারে। চিকিৎসক মিলটন বিশ্বাস ওটসের উপকারিতা প্রসঙ্গে বলেন, যদি প্রত্যেকদিন নিয়মিত ওটস খাওয়া যায়, তাহলে বিভিন্ন ধরনের হেলথ বেনিফিট রয়েছে। সংগৃহীত ছবি।
advertisement
*ওটস ওজন কমাতে সাহায্য করে। শরীরের পুষ্টি ঠিক রেখে ওজন কমানোর জন্য নিয়মিত প্রত্যেকদিন সকালে ওটস খাওয়া যেতে পারে। ওটসের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে, যা দীর্ঘ সময় পেট ভরা রাখতে সাহায্য করবে। সংগৃহীত ছবি।
*ওটস উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে। ওটসে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট থাকে, যা উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। অনেক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তুলতেও সাহায্য করে। কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর করতেও সাহায্য করে। কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা থাকলে নিয়মিত ওটস খাওয়া যেতে পারে। সংগৃহীত ছবি।
*ওটস এর মধ্যে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে যা মল নরম করতে সাহায্য করে। কোলেস্টেরল কমাতেও সাহায্য করে ওটস। নিয়মিত ওটস খেলে রক্তে এলডিএল কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে আসে, যে কারণে হৃদরোগ হওয়ার আশঙ্কা অনেকটা কমে যায়। সংগৃহীত ছবি।
শহুরে ভিড় ছেড়ে পাহাড়ে প্রেম!শিলিগুড়ির অদূরে রোম্যান্টিক গেটওয়ে,ছোট্ট ছুটিতে ঘুরে আসুন
আরও দেখুন *সুগার নিয়ন্ত্রণ করতে দারুন সাহায্য করে ওটস। ওজন কমানোর পাশাপাশি রক্তের শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। ওটসের মধ্যে থাকা ফাইবার ইনসুলিনের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করতেও সাহায্য করে। সুগারের রোগীদের নিয়মিত ওটস খাওয়া ভীষণ লাভদায়ক। তাই শরীর সুস্থ রাখতে রোজকার খাদ্য তালিকায় রাখা যেতে পারে ওটস। সংগৃহীত ছবি।