এই পরিস্থিতিতে আমচাষিদের সতর্ক করে বিশেষ পরামর্শ দিলেন মালদহ কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্রের প্রধান দূষ্য়ান্ত কুমার রাঘব। তিনি জানান, “আমের মুকুল ধরার এই সময়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই সময় সঠিক পরিচর্যা করতে পারলে ফলন উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ান সম্ভব। পাশাপাশি আম চাষিদের পরামর্শের ক্ষেত্রে বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়ে থাকে কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্রের তরফে। আম চাষিরা চাইলে এখানে এসে পরামর্শ নিতে পারেন।”
advertisement
পরিচর্যার উপায়ের ক্ষেত্রে তিনি আরও জানান, “এই সময় গাছে অতিরিক্ত জল না দিয়ে স্বল্প পরিমাণে জল স্প্রে করা উচিত, যাতে আর্দ্রতা বজায় থাকে। এতে মুকুল ঝরে পড়ার সম্ভাবনা কম থাকে। কীটপতঙ্গের আক্রমণ রোধে মটরশুঁটি আকারের আম ধরার পর অথবা ফুল আসার পর প্রতি লিটার জলে এক গ্রাম বোরন-২০ প্রয়োগ করা যেতে পারে। বিকল্প হিসেবে এনপিকে ১৯:১৯:১৯ সারের পাঁচ গ্রাম অথবা ‘ফসল প্রভাত’ নামক ওষুধ পাঁচ গ্রাম প্রতি লিটার জলে মিশিয়ে স্প্রে করা যেতে পারে।”
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
কৃষি বিজ্ঞানীদের মতে, তাপমাত্রা বাড়লেও নিয়মিত পর্যবেক্ষণ ও বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে পরিচর্যা করলে আমের ফলন ভাল হওয়ার সম্ভাবনা অনেকটাই বৃদ্ধি পায়। তাই মরশুমের এই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে সচেতন ও সঠিক পদক্ষেপ নেওয়ার অত্যন্ত জরুরি আম চাষিদের।





