বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ১৯৩৯ সালের ৩১ জানুয়ারি নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু নঘরিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের পুরাতন ভিটা সংলগ্ন কালিন্দ্রী নদীর তীরে খেলার মাঠে এক সভায় যোগ দেন। সভা শেষে তিনি বিদ্যালয়ের তৎকালীন প্রধানশিক্ষকের সঙ্গে সাক্ষাৎ-ও করেন। স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা সুজাতা দেওয়ান জানান, “নেতাজির মতো মহান স্বাধীনতা সংগ্রামীর পদরেণুধন্য এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত থাকতে পেরে আমরা গর্বিত। তাঁকে স্মরণ করে প্রতিবছর সেই মাঠে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। পাশাপাশি নেতাজি জয়ন্তীও সাড়ম্বরে পালিত হয়।”
advertisement
নেতাজির এই আগমনের পরেই নঘরিয়া-সহ সমগ্র মালদহ জেলায় জাতীয়তাবাদী আন্দোলন ও প্রগতিশীল কৃষক আন্দোলন আরও জোরাল হয়ে ওঠে বলে জানান ইতিহাসপ্রেমী ও স্থানীয় বাসিন্দারা। এক স্থানীয় বাসিন্দা তথা স্কুলের পার্শ্ব শিক্ষক রবিন ঝা জানান, “পুরনো নঘরিয়ায় অবস্থিত কালিন্দ্রী নদীর তীরবর্তী এলাকায় একটি মাঠে সম্মেলনে শামিল হয়েছিলেন নেতাজি। আজও নেতাজিকে স্মরণ করে নদী তীরবর্তী এলাকায় জড়ো হন স্কুল কর্তৃপক্ষ থেকে স্থানীয়রা।”
প্রতি বছর নেতাজির জন্মবার্ষিকী শ্রদ্ধার সঙ্গে পালিত হয় নঘরিয়া হাই স্কুলে দিনটি পালন করা হয়। বর্তমানে পুরনো সেই স্কুল এবং জায়গা না থাকলেও নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর স্মৃতি আজও জীবন্ত মালদহের নঘরিয়ায় হাই স্কুলের মাটিতে।





