দোল উৎসবের নস্করপুর মহাপ্রভুর উৎসব সারা বাংলার মানুষের আকর্ষণ। এখানকার মহাপ্রভুর মাহাত্ম্য বহুদূর বিস্তৃত। দূর দূরান্ত থেকে এখানে ভক্ত সমাগম ঘটে। পুরনো রীতি মেনে দোল উৎসবে মানুষের উপস্থিতি এখানে।
স্থানীয় মানুষের কথায়, মহাপ্রভুর কৃপায় নস্করপুর গ্রামসহ বিস্তীর্ণ এলাকার মানুষ মহামারি থেকে রক্ষা পেয়েছিল। প্রায় দেড় শতাব্দীর বছর প্রাচীন পূর্বে, সেই থেকে ভক্তি ভরে মহাপ্রভুর আরাধনা হয় গ্রামে। নিয়ম মেনে কয়েকদিন ব্যাপী হরিবাসর এবং মহাপ্রভুর আরাধনা। উৎসবের কয়েকটা দিন মানুষের উপস্থিতি থাকলেও, দোল উৎসবের দিন সবথেকে বেশি আকর্ষণ থাকে মানুষের।
advertisement
মহাপ্রভুর আরাধনা মানে নাম সংকীর্তনে হরিবাসরে অংশ নেওয়া, সেই সঙ্গে দোলের দিন প্রসাদ (বাতাসা) নিবেদন করে হরিলুট ও ভোগ নিবেদনের মাধ্যমে সারাদিন বিভিন্ন নিয়ম নীতির মধ্য দিয়ে উপোস এবং গণ্ডি অনুষ্ঠিত হয়।
প্রতি বছর জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এবং সারা বাংলা এমনকি দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ হাজির হয়ে থাকেন, মনস্কামনা পূর্ণের আশায় মানত করেন ভক্তরা। এখানে প্রতি বছর প্রায় পাঁচ থেকে ছয় হাজার মালসায় ভোগ নিবেদন করেন ভক্তরা। এমনটাই জানান স্থানীয় মানুষ। উৎসবের কয়েকটা দিন হাজার হাজার মানুষের উপস্থিতি থাকে। দোলের দিন সব থেকে বেশি মানুষের উপস্থিতি চোখে পড়ে। দোলের দিন থেকে সপ্তাহব্যাপী বিভিন্ন অনুষ্ঠান এবং মেলার আসর বসে।
দোল উৎসবের দিন সকাল থেকে বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ আসতে শুরু করে, বেলা গড়়ানোর সঙ্গে সঙ্গে মানুষের উপস্থিতিও বেড়ে চলে। প্রাচীন রীতি মেনে, প্রভুর এই স্থানে দোল উৎসবে শামিল হয়ে থাকে মানুষ। অন্যান্য বছরের মতো এদিন সকালে জগৎবল্লভপুর থানা সমন্বয় কমিটি অনুষ্ঠান প্রাঙ্গণ পরিদর্শন করেন।