গোষ্ঠীর দলনেত্রী পিংকি হালদার জানান, “গোষ্ঠীর সদস্যরা দল থেকে প্রায় ৩০ হাজার টাকা ঋণ নিয়ে এই ব্যবসা শুরু করেন। এখন হোটেলে রান্না ও বিক্রির কাজ করে প্রত্যেক সদস্য মাসে ৫-৭ হাজার টাকা আয় করছেন। শুধু তাই নয়, ঋণ পরিশোধের ক্ষেত্রে সরকারের তরফে অর্ধেক টাকা ছাড় পাওয়ায় অনেক সুবিধা হয়েছে।”
মাছ-ভাত, রুটি, মাংস-সহ বিভিন্ন পদ মেলে এই হোটেলে, দাম ৫০ থেকে ৩০০ টাকার মধ্যে। দুপুর থেকে রাত…খাদ্য রসিকদের ভিড় জমছে হোটেলে। খাদ্যরসিক অজয় কুমার বরুয়া জানান, “কাজের ফাঁকে প্রতিদিন এখানে খেতে আসি। কখনও রুটি আবার কখনও ভাত। খুব স্বল্প দামে বাড়ির খাবারের স্বাদ মেলে।”
advertisement
এই গোষ্ঠীর সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন টুম্পা মণ্ডল পাহাড়ি, চুমকি হালদার, শ্যামলী হালদার, অঞ্জলি পাহাড়ি-সহ আরও অনেকে। অধিকাংশই গৃহবধূ। তাঁদের স্বামীরা কেউ শ্রমিক, কেউ মাছ বিক্রেতা, কেউ রংয়ের কাজ করেন বা পরিযায়ী শ্রমিক হিসেবে বাইরে কাজ করেন। একসময় বাড়িতে বসে থাকা এই মহিলারা আজ নিজেদের উদ্যোগে স্বনির্ভরতার পথে এগিয়েছেন। শহরের মানুষের কাছে পৌঁছে দিচ্ছেন স্বল্প দামে বাড়ির হেঁশেলের স্বাস্থ্যকর খাবার।





