পুষ্টি বিশেষজ্ঞ ডঃ বিদ্যা গুপ্ত ব্যাখ্যা করেন যে আদা সোডিয়াম, পটাসিয়াম, ভিটামিন বি, ভিটামিন সি, ফোলেট, জিঙ্ক, আয়রন, ক্যালসিয়াম, কার্বোহাইড্রেট এবং ম্যাগনেসিয়ামের মতো প্রয়োজনীয় পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ। এতে প্রদাহ-বিরোধী এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্যও রয়েছে, যা শীতকালীন অনেক অসুস্থতার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে অত্যন্ত কার্যকর। এটি মহিলাদের জন্যও খুবই উপকারী। আদার জিঙ্ক এবং আয়রন রক্তাল্পতা মোকাবেলায় সাহায্য করে, যা মহিলাদের একটি সাধারণ সমস্যা।
advertisement
আদার জিঙ্ক এবং আয়রন মহিলাদের জন্য বিশেষভাবে উপকারী, কারণ এটি হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বৃদ্ধি করে রক্তাল্পতার বিরুদ্ধে কার্যকরভাবে লড়াই করে। আদা ক্যালসিয়ামেও সমৃদ্ধ, যা হাড় এবং দাঁতকে শক্তিশালী করে । এটি কেবল খনিজ পদার্থের উৎসই নয়, বদহজম এবং অ্যাসিডিটির মতো পেটের সমস্যা থেকে তাৎক্ষণিক মুক্তিও দেয়। যদি আপনি বুকজ্বালা বা অ্যাসিডিটির সমস্যায় ভুগছেন, তাহলে আপনার খাদ্যতালিকায় আদা অন্তর্ভুক্ত করা অত্যন্ত উপকারী প্রমাণিত হবে।
ফ্যাটি লিভার এবং চা খাওয়া
আদার উষ্ণতা বৃদ্ধির প্রভাব শীতকালে এটিকে আরও বিশেষ করে তোলে। এই ঋতুতে আপনি আদা দিয়ে গরম চা পান করতে পারেন, যা শরীরকে ভেতর থেকে উষ্ণ করবে। আদা সঠিকভাবে ব্যবহার করার জন্য, খাবারের প্রায় এক ঘণ্টা পরে এটি খাওয়া সবচেয়ে উপকারী। নিয়মিত ব্যবহারের সাথে, এটি ফ্যাটি লিভারের মতো গুরুতর সমস্যাগুলিও দূর করতে সাহায্য করতে পারে।
