জন্ডিস ও ফ্যাটি লিভারের মতো শারীরিক সমস্যাতেও বিট রাখতে পারেন পথ্যে। শীতকালে মরশুমি সর্দিকাশি থেকে রক্ষা করে বিটের ওষধি গুণ। বিটের পটাশিয়াম ও নাইট্রেট যৌগ রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক রাখে। নিয়ন্ত্রণ করে উচ্চরক্তচাপ। বিটরুটের পুষ্টিগুণ কম রাখে হৃদরোগের আশঙ্কা। ফিল গুড হরমোন সেরোটোনিন ও ডোপামিনের ক্ষরণ বৃদ্ধি করে বিটের রস। স্ট্রেস কাটিয়ে উঠতে যা অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। ছানি-সহ অন্যান্য চোখের রোগ প্রতিরোধ করে দৃষ্টিশক্তি ভাল রাখে বিটের রস। ত্বকে বয়সের ছাপ পড়তে দেয় না। রোধ করে হাড়ের ক্ষয়রোগও।
advertisement
আরও পড়ুন : পুত্রবধূর কসমেটিক্সে সাজছেন শাশুড়ি! বাড়িতেও থাকছেন মেকআপ করেই! শাশুড়ি-বউয়ের ঝগড়া থামাতে নাজেহাল পুলিশ
তবে এত উপকারিতা সত্ত্বেও কোনও কোনও শারীরিক ক্ষেত্রে বিট এড়িয়ে চলতে হবে। কিডনি স্টোনের মতো শারীরিক সমস্যার আশঙ্কা থাকলে ডায়েটে বিট রাখবেন না। ডায়াবেটিস, গেঁটে বাত, অ্যালার্জির মতো সমস্যাতেও বিট বর্জনীয়। ডায়েটে যোগ করলেও সব সময় পরিমিত পরিমাণে খাবেন। অতিরিক্ত খেলে সব খাবারেরই পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া থাকবে। তাই ডাক্তারের মত অনুযায়ী বিট রাখুন আপনার শীতের ভোজনবিলাসে।
