তবে অনেকেরই বসন্ত উৎসবের নাম শুনলেই মনে পড়ে শান্তিনিকেতনের কথা। বহু জনই আছেন যাঁদের ইচ্ছা হয় শান্তিনিকেতনে গিয়ে বসন্ত উৎসব উদযাপন করার। তবে কাজের চাপে, হাজারও ব্যস্ততার মাঝে সেটা হয়ে ওঠে না অনেকেরই। তবে এবার আর চিন্তার কোনও কারণ নেই। শান্তিনিকেতন না হলেও ওখানকার আদলে বসন্ত উৎসবের আয়োজন করা হয় পূর্ব বর্ধমান জেলার একটি জায়গায়। জানেন সেই জায়গার নাম?
advertisement
পূর্ব বর্ধমান জেলাতেই রয়েছে অরণ্য রিসর্ট। আর এই রিসর্টে প্রত্যেক বছর শান্তিনিকেতনের আদলে বসন্ত উৎসব উদযাপনের ব্যবস্থা করা হয়।
এই প্রসঙ্গে রিসর্টের তরফ থেকে পারভেজ উদ্দিন বলেন, “শান্তিনিকেতনের আদলে এখানে বসন্ত উৎসব উদযাপনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। যাঁরা এখানে আসবেন তাঁদের জন্য সবরকম ব্যবস্থা থাকবে। এই মনোরম পরিবেশে এলে সকলেরই খুবই ভাল লাগবে। কেউ এখান থেকে নিরাশ হয়ে ফিরে যাবেন না। শহর থেকে দূরে একদম নির্জন পরিবেশে এই রিসর্ট রয়েছে। রিসর্টে প্রবেশ করলেই শান্ত মনোরম পরিবেশ দেখে মুগ্ধ হবেন অনেকেই। বসন্ত উৎসবের দিনে আদিবাসী নৃত্য, নাচ, গান সঙ্গে বাউল গান সহ জমজমাট হয়ে উঠবে অরণ্য রিসর্ট। রিসর্ট কর্তৃপক্ষের কথায়, সেদিন বহু মানুষই ভিড় জমান এই সুন্দর মনোরম পরিবেশে বসন্ত উৎসব উদযাপন করার জন্য।”
রিসর্টের মধ্যেই রয়েছে বাউল গান শোনার ব্যবস্থা। তবে বসন্ত উৎসবের দিনে আরও অনেক বাউল শিল্পী আছেন যাঁরা এই রিসর্টে এসে উপস্থিত হবেন। বসন্ত উৎসবের দিন থাকবে স্পেশাল বাউল গান, নাচ, আরও অনেক কিছু।
অনুষ্ঠান শুরু হবে সকাল ৯টা থেকে। রিসর্ট কর্তৃপক্ষের কথায় শান্তিনিকেতনের অনুভূতি পাওয়া যাবে এই রিসর্টে। পূর্ব বর্ধমান জেলার বর্ধমান শহরের একদম কাছেই রয়েছে এই রিসর্ট। চাইলে আপনারাও ধামসা মাদলের শব্দে, বাউল গানের তালে একটা দিন কাটাতে পারেন এই রিসর্টে। রিসর্টে আয়োজিত বসন্ত উৎসবে অংশগ্রহণ করার জন্য আগে থেকে যোগাযোগ করাই শ্রেয়।





