Digha Tourism: সমুদ্র সৈকতের পাশেই রঙিন হাতছানি! দিঘা ভ্রমণে পর্যটকদের জন্য বড় উপহার, ‘বাটারফ্লাই গার্ডেন’
- Reported by:Madan Maity
- Published by:Ananya Chakraborty
Last Updated:
Digha Tourism: দিঘা বিজ্ঞান কেন্দ্রে চালু হল প্রজাপতি উদ্যান। রঙিন প্রজাপতি, সবুজ পরিবেশ ও শিক্ষামূলক অভিজ্ঞতায় ভরপুর এই নতুন আকর্ষণ পর্যটকদের টানছে ব্যাপকভাবে।
এবার দিঘা ভ্রমণে অপেক্ষা করছে বড় চমক। সময় কাটাতে পারবেন এক ঝাঁক প্রজাপতির সঙ্গে। বিনোদনের নতুন সংযোজন হিসেবে দিঘা বিজ্ঞান কেন্দ্রে চালু হল ‘বাটারফ্লাই গার্ডেন’ বা প্রজাপতি উদ্যান। খোলা বাগানে ইতিমধ্যেই বিভিন্ন প্রজাতির রঙিন প্রজাপতির দেখা মিলছে। যেন প্রজাপতিদের এক স্বর্গরাজ্য তৈরি হয়েছে এখানে। এই নতুন আকর্ষণ টানে পর্যটক থেকে স্থানীয় মানুষের ভিড় ক্রমশ বাড়ছে।
advertisement
দিঘা বিজ্ঞান কেন্দ্রে সময় সময় নানা বিজ্ঞানভিত্তিক আকর্ষণ যুক্ত করা হয়। দর্শকদের আগ্রহ বাড়াতেই এমন উদ্যোগ নেওয়া হয়। এবার সেই তালিকায় নতুন সংযোজন প্রজাপতি উদ্যান। কর্তৃপক্ষের ধারণা, এটি পর্যটক ও পড়ুয়াদের কাছে বিশেষ আকর্ষণ হয়ে উঠবে। প্রকৃতির সঙ্গে বিজ্ঞানের মেলবন্ধন ঘটানোর লক্ষ্যেই এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হয়েছে। সব বয়সের মানুষের জন্য এটি এক নতুন অভিজ্ঞতা নিয়ে এসেছে।
advertisement
বিজ্ঞান কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে, উদ্যানটিকে প্রজাপতিদের উপযোগী করে গড়ে তোলা হয়েছে। এখানে নানা ধরনের ফুলের গাছ লাগানো হয়েছে। পাশাপাশি প্রজাপতির পছন্দের গাছও রোপণ করা হয়েছে যত্ন সহকারে। এতে প্রজাপতিরা সহজেই এখানে ভিড় জমাচ্ছে। বাগানের পরিবেশ রাখা হয়েছে সবুজ ও প্রাকৃতিক। ফলে পর্যটকরাও স্বস্তিদায়ক পরিবেশ উপভোগ করতে পারছেন।
advertisement
এছাড়াও উদ্যানটিতে তৈরি করা হয়েছে ‘বাটারফ্লাই পাডলিং স্পট’। এখানে প্রজাপতিদের জন্য প্রয়োজনীয় খনিজ ও আর্দ্রতার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এই জায়গাগুলি তাদের আকর্ষণ করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। উদ্যানে বোর্ডে বিভিন্ন প্রজাতির ছবি ও নাম দেওয়া হয়েছে। তাদের বৈশিষ্ট্যও সহজভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। এতে পর্যটকরা ঘুরতে ঘুরতেই নতুন তথ্য জানতে পারছেন।
advertisement
দিঘা ও আশেপাশের এলাকায় কত ধরনের প্রজাপতি পাওয়া যায়, তারও তথ্য তুলে ধরা হয়েছে বোর্ডে। শিক্ষার্থীদের জন্য এটি বেশ সহায়ক। এছাড়া পর্যটকদের আকর্ষণ করতে একটি বাটারফ্লাই সেলফি স্ট্যান্ড বসানো হয়েছে। সেখানে ছবি তুলতে ভিড় করছেন পর্যটকরা। প্রজাপতির জীবনচক্র সম্পর্কেও হাতে-কলমে বোঝানো হচ্ছে। এতে ছোটদের মধ্যে আগ্রহ বাড়ছে এবং তারা আনন্দের সঙ্গে শিখছে।
advertisement
বিজ্ঞান কেন্দ্রের প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর হেমলেট গুড়িয়া জানিয়েছেন, এই উদ্যোগের মাধ্যমে পরিবেশ সচেতনতা বাড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। সবুজায়ন বৃদ্ধি ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণই মূল লক্ষ্য। বিশেষ করে ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে সচেতনতা গড়ে তোলা হচ্ছে। প্রজাপতির পরাগমিলনে ভূমিকা সম্পর্কেও জানানো হচ্ছে। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় তাদের গুরুত্ব তুলে ধরা হচ্ছে।







