সাড়ে ১৩ বিঘা বিস্তৃত জমির উপর শুরু হয়েছিল তাঁর স্বপ্নযাত্রা। মূল পরিকল্পনা ছিল একটি কৃষি বিদ্যালয় গড়ে তোলা— যেখানে আধুনিক ও প্রথাগত কৃষি পদ্ধতির মেলবন্ধন ঘটবে। সেই লক্ষ্যেই জমির মধ্যে দুটি পুকুর খনন, বাগান তৈরি ও কৃষিভিত্তিক পরিকাঠামো গড়ে তোলার কাজ শুরু হয়। আপাতত সেই বৃহত্তর পরিকল্পনাকে ভবিষ্যতের জন্য রেখে দিয়ে, বর্তমান সময়ের প্রয়োজন অনুযায়ী তিনি গড়ে তুলেছেন এই রিসোর্ট।
advertisement
মৃত্তিকা রিসোর্ট শুধুমাত্র থাকার জায়গা নয়। এখানে এসে পর্যটকেরা গ্রামবাংলার জীবনযাত্রা খুব কাছ থেকে অনুভব করতে পারবেন। চারপাশে সবুজ বাগান, শান্ত পুকুরপাড়, খোলা আকাশ— সব মিলিয়ে একেবারে গ্রাম্য পরিবেশ। রিসোর্টে থাকা অতিথিরা চাইলে কৃষিকাজ সম্পর্কে হাতে-কলমে শিখতে পারবেন, বাগান ঘুরে দেখতে পারবেন এবং স্বাদ নিতে পারবেন অধিকাংশই জৈব উপকরণে তৈরি খাবারের।
ধনঞ্জয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথায়, “মানুষ আজ প্রকৃতির কাছাকাছি থাকতে চাইছে। শহরের ব্যস্ততা থেকে কিছুটা দূরে এসে যদি গ্রাম্য জীবনের স্বাদ পাওয়া যায়, সেটাই আমাদের মূল উদ্দেশ্য।”