শিল্পী অমিতাভ পাল জানান, নক্সায় রামমন্দিরের ছবি-সহ তৈরি হয়েছিল একটি ‘রামায়ণ শাড়ি’। তৈরি করেছিলেন নিতা এবং মুকেশ আম্বানি কালচারাল সেন্টারে। চলেছিল তিনমাস ব্যাপী কাজ। সেই শাড়িতে বোনা হয়েছিল সাতকাণ্ড রামায়ণ। দাম ছিল এগারো লক্ষ টাকা।
বাঁকুড়ার ঐতিহ্য ভালবাসেন? ভালবাসেন বাঁকুড়ার শিল্প। আপনি কি বাঁকুড়ার বাসিন্দা? তাহলে এই শাড়ি এবং তার শিল্পী অমিতাভ পালের গল্প জানলে আপনার মন ভাল হবে। বালুচরী শাড়ি হাতে বুনে তৈরি করতে ব্যবহার করা হয় জ্যাকার্ড মেশিন। জ্যাকার্ড মেশিনের মধ্যে ধাতুর পাতের উপরে বিভিন্ন ডিজাইন করা থাকে এবং সেই ডিজাইনগুলি অনুসরণ করে হাতে করে বুনে তৈরি করতে হয় এই বিশেষ শাড়ি।
advertisement
শিল্পী জানান “এক একটি ভাল বালুচরী শাড়ি তৈরি করতে সময় লাগে প্রায় তিন মাস। ব্যবহার করা হয় প্রাকৃতিক রং। দুর্দান্ত নৈপুণ্যের সঙ্গে তৈরি হয় নিখুঁত শাড়ি।” বিষ্ণুপুরের ঐতিহ্যবাহী বালুচরী ভারতবর্ষের বিভিন্ন কোণে পৌঁছে দিয়েছেন শিল্পী অমিতাভ পাল। টাটার তরফে এই শিল্পীকে দেওয়া হয়েছে এক বিশেষ স্মারক, যেখানে সুন্দর করে তুলে ধরা হয় বালুচরীর ইতিহাস।