একটা সময় জঙ্গলমহলের অনাহার, দুর্ভিক্ষ পীড়িত মানুষজনের অন্যতম খাবার ছিল এই কুরকুট। তবে বর্তমানে জঙ্গলমহল এর মানুষের অর্থনৈতিক ক্ষেত্র বাড়িয়েছে এই পিঁপড়ে। মূলত শাল গাছ থেকে সংগ্রহ করা হয় এই লাল পিঁপড়েদের। তবে লাল পিঁপড়ে বা কুরকুটের রয়েছে একাধিক পুষ্টিগুণ।
advertisement
বন্দে ভারত স্লিপার কোন কোন জেলার উপর দিয়ে যাবে? কত ভাড়া? পশ্চিমবঙ্গের রেল পরিকাঠামোয় বড় সংযোজন
জঙ্গলমহল ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুরের শালবনী, ভাদুতলা সহ বিভিন্ন জঙ্গলে পাওয়া যায় কুরকুট। শীতকালে এই কুরকুটের বেশি বিক্রি। প্রান্তিক এলাকার গ্রামীণ হাটে হাটে বিক্রি হয় এই লাল পিঁপড়ে। বছরের পর বছর জঙ্গলমহলের মানুষের কাছে এক অন্যতম খাবার ছিল এটি। তবে বর্তমানে এর ব্যাপ্তি ঘটেছে।
জঙ্গলমহলের মানুষের অর্থনৈতিক আয় রোজগার হচ্ছে এই ডিম সহ পিঁপড়ে থেকে। তবে জানেন, এই কুরকুটের গুরুত্ব কতখানি? জঙ্গলমহলে মানুষের কাছে শুধুমাত্র অর্থনৈতিক ভিত নির্ভর করে? নাকি এই খাবারে রয়েছে পুষ্টিগুণ? বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, লাল পিঁপড়ের ডিম বা কুরকুটে রয়েছে বিশেষ পুষ্টিগুণ। ভিটামিন সি তে ভরপুর কুরকুট, এতে রয়েছে ক্যালসিয়াম। সাধারণ সর্দি কাশি এবং শিশুদের কাশিতে খুব উপাদেয় এই দুটি উপাদান। শীতকালে ঠান্ডা মোকাবিলায় জুড়ি মেলা ভার। ফুসফুসের সমস্যা থেকে হাঁপানি দূর করে এই কুরকুট। একটা সময় আদিবাসী জনগোষ্ঠীর মানুষ খেলেও এখন অধিকাংশ মানুষ এই খাবার খান। এককালের অনাহার এবং দুর্ভিক্ষ পীড়িত মানুষের কাছে ক্ষুধা নিবারণের একমাত্র পথ হলেও বহু পুষ্টিগুণের সমৃদ্ধ এই কুরকুট। বর্তমানে নিজের প্রসার ঘটিয়েছে। গ্রামীণহাটে বেশ ভাল বিক্রি হচ্ছে এই ডিম সহ পিঁপড়ে বা কুরকুট।