TRENDING:

Malda Tourism: নবাবি আমলে এখানেই ছিল বাংলার প্রাচীন গৌড় নগরী, মালদহে গাছপালার আড়ালে একা দাঁড়িয়ে প্রাচীন ইতিহাস

Last Updated:

Malda Tourism: সুলতান আলাউদ্দিন হুসেন শাহের আমলে গৌড় সাম্রাজ্যে পশ্চিম দিক দিয়ে প্রবেশের ক্ষেত্রে অন্যতম মূল দ্বার ছিল বর্তমান এই দ্বারবাসিনী মন্দির। মালদহের ইংরেজবাজার ব্লকের কাজিগ্রাম গ্রাম পঞ্চায়েতের চন্ডিপুর গ্রামে অবস্থিত প্রাচীন এই দ্বারবাসিনী মন্দির।

impactshort
ইমপ্যাক্ট শর্টসলেটেস্ট খবরের জন্য
advertisement
জিএম মোমিন, মালদহ: অনেকেই জানেন না মালদহের এই ইতিহাস। প্রাচীন বাংলার সুলতান আলাউদ্দিন হুসেন শাহের আমলের গৌড় সাম্রাজ্যে ছিল একাধিক মূল প্রবেশদ্বার। উত্তর-পশ্চিম, পূর্ব-দক্ষিণ ইত্যাদি দিকেই প্রবেশপথের দ্বারে পাহারায় থাকতেন সুলতান আলাউদ্দিন হুসেন শাহের সৈন্যরা। এদের মধ্যে অন্যতম ছিল গৌড় সাম্রাজ্যের পশ্চিম দিকের প্রবেশদ্বার। যেখানে রাত-দিন পাহারায় থাকতেন সুলতানের সৈন্যরা। বর্তমান গৌড় সাম্রাজ্যের ধ্বংসাবশেষ থেকে অনেকটাই দূরে অবস্থিত এই পশ্চিম দিকের মূল প্রবেশদ্বার। যার ইতিহাস সম্পর্কে আজও অজ্ঞাত অনেকেই। মালদহের ইংরেজবাজার ব্লকের কাজিগ্রাম গ্রাম পঞ্চায়েতের চণ্ডীপুর গ্রামে অবস্থিত এই ধ্বংসাবশেষ বর্তমানে দ্বারবাসিনী মন্দির নামে পরিচিত।
advertisement

স্থানীয় গ্রামবাসী অরুণকুমার প্রামাণিক বলেন, “এই দ্বারবাসিনী ইতিহাস সম্পর্কে জেলা গ্রন্থাগারে পড়েছিলাম। সুলতান হুসেন শাহের আমলে বহিরাগতরা এই দ্বার দিয়ে‌ই গড়বেষ্টিত গৌড়নগরীতে প্রবেশ করতেন। এই জায়গায় অশ্বারোহী সৈন্যরা চলাচল করত ও পাহারা দিত। এই পশ্চিম দ্বারে নিরাপত্তায় থাকতেন হুসেন শাহের বিশ্বস্ত সৈন্যরা। আনুমানিক ১৫০০ খ্রিস্টাব্দের শেষের দিকে পাহারায় থাকা সৈন্যরা সেখানে চণ্ডীমাতার মূর্তি স্থাপন করেন। এবং বৈশাখ মাসের প্রতি শনিবার এবং মঙ্গলবার পূজা করতেন। তারপর থেকেই সেই পরম্পরা মেনে আজও এখানে দুর্গা-কালী রূপে চণ্ডীমাতার পুজো করা হয়।”

advertisement

আরও পড়ুন : বাবা দিনমজুর, মা পরিচারিকা…রথের মেলায় বাদাম ও ঝুরিভাজা বিক্রি করে ভাইরাল ছোট্ট প্রিয়ার ভাঙা বাড়িতে অবশেষে আশার আলো

সেরা ভিডিও

আরও দেখুন
রবিতে ছুটির দিনেই ক্যামেরাবন্দি জঙ্গলের মহারাজ! বাঘ দেখে উচ্ছ্বসিত পর্যটকরা
আরও দেখুন

প্রায় ৫০০ বছর আগে সুলতান আলাউদ্দিন হুসেন শাহের রাজত্বে বর্তমান মালদহে অবস্থিত গৌড়ে তৈরি হয়েছিল একাধিক প্রাসাদ এবং নির্মাণ স্থাপত্য। যার বর্তমান ধ্বংসাবশেষের অংশ দেখতে আজও ভিড় জমান জেলা-সহ রাজ্যের বিভিন্ন জেলা থেকে আগত পর্যটকরা। তবে গৌড় সাম্রাজ্যের এই পশ্চিম দ্বার পর্যটনস্থল হিসেবে পরিচিত না পাওয়া আজও বেহাল জরাজীর্ণ অবস্থায় পড়ে রয়েছে। যার ধ্বংসাবশেষ অংশ বর্তমানে দ্বারবাসিনী মন্দির হিসেবে পরিচিত। বর্তমানে মালদহের ইংরেজবাজারের এই ধ্বংসাবশেষকে পর্যটন স্থল হিসেবে গড়ে তোলার দাবি তুলেছেন গ্রামবাসীরা।

advertisement

বাংলা খবর/ খবর/লাইফস্টাইল/
Malda Tourism: নবাবি আমলে এখানেই ছিল বাংলার প্রাচীন গৌড় নগরী, মালদহে গাছপালার আড়ালে একা দাঁড়িয়ে প্রাচীন ইতিহাস
Open in App
হোম
খবর
ফটো
লোকাল