স্থানীয় গ্রামবাসী অরুণকুমার প্রামাণিক বলেন, “এই দ্বারবাসিনী ইতিহাস সম্পর্কে জেলা গ্রন্থাগারে পড়েছিলাম। সুলতান হুসেন শাহের আমলে বহিরাগতরা এই দ্বার দিয়েই গড়বেষ্টিত গৌড়নগরীতে প্রবেশ করতেন। এই জায়গায় অশ্বারোহী সৈন্যরা চলাচল করত ও পাহারা দিত। এই পশ্চিম দ্বারে নিরাপত্তায় থাকতেন হুসেন শাহের বিশ্বস্ত সৈন্যরা। আনুমানিক ১৫০০ খ্রিস্টাব্দের শেষের দিকে পাহারায় থাকা সৈন্যরা সেখানে চণ্ডীমাতার মূর্তি স্থাপন করেন। এবং বৈশাখ মাসের প্রতি শনিবার এবং মঙ্গলবার পূজা করতেন। তারপর থেকেই সেই পরম্পরা মেনে আজও এখানে দুর্গা-কালী রূপে চণ্ডীমাতার পুজো করা হয়।”
advertisement
প্রায় ৫০০ বছর আগে সুলতান আলাউদ্দিন হুসেন শাহের রাজত্বে বর্তমান মালদহে অবস্থিত গৌড়ে তৈরি হয়েছিল একাধিক প্রাসাদ এবং নির্মাণ স্থাপত্য। যার বর্তমান ধ্বংসাবশেষের অংশ দেখতে আজও ভিড় জমান জেলা-সহ রাজ্যের বিভিন্ন জেলা থেকে আগত পর্যটকরা। তবে গৌড় সাম্রাজ্যের এই পশ্চিম দ্বার পর্যটনস্থল হিসেবে পরিচিত না পাওয়া আজও বেহাল জরাজীর্ণ অবস্থায় পড়ে রয়েছে। যার ধ্বংসাবশেষ অংশ বর্তমানে দ্বারবাসিনী মন্দির হিসেবে পরিচিত। বর্তমানে মালদহের ইংরেজবাজারের এই ধ্বংসাবশেষকে পর্যটন স্থল হিসেবে গড়ে তোলার দাবি তুলেছেন গ্রামবাসীরা।