প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, এই সিন্ডিকেট বৈঠকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক এবং অ্যাকাডেমিক বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সম্পর্কে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়ে থাকে। আলাপ-আলোচনা এবং সিন্ডিকেট সদস্যদের মতামতের ভিত্তিতে গৃহীত হয় সিদ্ধান্ত। রাজ্য সরকারের তরফ থেকেও প্রতিনিধি উপস্থিত থাকেন এই সমস্ত বৈঠকে। কিন্তু আজকের এই বৈঠকের অনুমতি ছিল না রাজ্যের উচ্চ শিক্ষা দফতরের তরফে। কী ভাবে সেই সিন্ডিকেট বৈঠক তারপরেও আয়োজন করে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত বিশ্ববিদ্যালয় গ্রহণ করল, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে রাজ্যের শাসকদলের ছাত্র সংগঠন তৃণমূল ছাত্র পরিষদ। তাদের তরফে দাবী করা হয়, সিন্ডিকেট বৈঠক দেখার ক্ষেত্রে যে যে নিয়ম-কানুন মেনে এই বৈঠক ডাকতে হয় তা আদৌ মেনে ডাকা হয়নি এই বৈঠক।
advertisement
আরও পড়ুন – Jamal Kudu Song: এই গান গাইত স্কুলের শিশুরা! কোথা থেকে এল ‘জামাল কুদু’, গানের মানে কী, জানুন
আরও পড়ুন – KIFF 2023: চলচ্চিত্র উৎসবে পুরস্কৃত অঞ্জন দত্তর ‘চালচিত্র এখন’, তালিকায় আরও বাংলা ছবি
যদিও এই প্রসঙ্গে কড়া বার্তা দেন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য শ্রীমতি শান্তা দত্ত। তিনি জানান রাজ্য সরকারকে ইতিমধ্যেই প্রায় ছ’বার বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে এই সিন্ডিকেট বৈঠক করার অনুমতি চেয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তা সত্ত্বেও মেলেনি অনুমতি। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্গত কলেজগুলিতে পরীক্ষা নেওয়ার ক্ষেত্রে ভবিষ্যতে জটিলতা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল। জাতীয় শিক্ষানীতি অনুযায়ী নতুন পাঠক্রমে পরীক্ষা নেওয়ার ক্ষেত্রে সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত অনিবার্য ছিল। এই সমস্ত বিষয়কে মাথায় রেখেই আচার্য তথা রাজ্যপালের দ্বারস্থ হন তাঁরা। তিনি আইনজ্ঞদের সঙ্গে পরামর্শ করে বিশ্ববিদ্যালয়কে জানান যে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্পেশাল অ্যাক্ট অনুযায়ী স্বায়ত্ত্বশাসিত এই বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মপদ্ধতি আটকে থাকার ক্ষেত্রে প্রয়োজনে এইভাবে সিন্ডিকেট বৈঠক আয়োজন করা সম্ভব।
সেই পদ্ধতি মেনেই তাঁরা সিন্ডিকেট বৈঠকের সিদ্ধান্ত নেন। জাতীয় শিক্ষানীতি অনুযায়ী নতুন পাঠ্যক্রমের পরীক্ষা নেওয়া-সহ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এবং অশিক্ষক কর্মচারীদের দীর্ঘদিন ধরে আটকে থাকা পদোন্নতির বিষয়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত মঙ্গলবারের সিন্ডিকেট বৈঠকে নেওয়া হয়েছে।
