ঝাড়খণ্ডের বাসিন্দা বিচারপতি তপেন সেন তাঁর চিঠিতে জানিয়েছেন, কলকাতায় এসে SIR এর কাজ করা সম্ভব নয়। মূলত বয়সজনিত কারণ সঙ্গে পরিকাঠামোগত সমস্যার কারণেই তাঁর পক্ষে কলকাতায় এসে কাজ করা সম্ভব নয় বলেই চিঠিই জানিয়েছেন এই বিচারপতি। এমনই চিঠিতে উল্লেখ রয়েছে বলে সূত্রের খবর। অর্থাৎ এর ফলে ১৯ বিচারপতির জায়গায় ১৮ বিচারপতি থাকছেন আপাতত। এই পরিস্থিতিতে বর্তমানে বিকল্প অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি খোঁজার কাজ সারছে এখন হাইকোর্ট প্রশাসন।
advertisement
প্রসঙ্গত, এসআইআর-এ তালিকায় নাম না উঠলে আবেদনের জন্য অবসরপ্রাপ্ত বিচারক-বিচারপতিদের নিয়ে ১৯টি ট্রাইবুনাল গঠন হওয়ার কথা। ট্রাইবুনালে রয়েছেন কলকাতা হাইকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম, অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু, অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি রঞ্জিতকুমার বাগ, অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি সমাপ্তি চট্টোপাধ্যায়ের মতো আরও অনেকে। ২৩ জেলার জন্য মোট ১৯ জন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি-বিচারককে দায়িত্ব দেওয়া হয়।
তালিকায় যাঁরা আছেন:
১. প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি টি. এস. শিবজ্ঞানম
উত্তর ২৪ পরগনা (এসি ভিত্তিক) এবং কলকাতা
২. প্রাক্তন বিচারক প্রদীপ্ত রায়
উত্তর ২৪ পরগনা (এসি ভিত্তিক)
৩. প্রাক্তন বিচারক তপেন সেন
পূর্ব মেদিনীপুর
৪. প্রাক্তন বিচারক প্রণব কুমার দেব
কোচবিহার
৫. প্রাক্তন বিচারক প্রভাত কুমার দে
পূর্ব বর্ধমান
৬. প্রাক্তন বিচারক রঘুনাথ রায়
নদিয়া
আরও পড়ুন: ভারতে ১ ডলারের ‘মূল্য’ কত হল জানেন…? চমকাবেন ‘রেট’ শুনলেই!
৭. প্রাক্তন বিচারক অশোক কুমার দাসাধিকারী
হাওড়া
৮. প্রাক্তন বিচারক দীপক সাহা রায়
দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ার
৯. প্রাক্তন বিচারক অনিন্দিতা রায় সরস্বতী
পশ্চিম মেদিনীপুর এবং ঝাড়গ্রাম
১০. প্রাক্তন বিচারক তৌফিক উদ্দিন
দক্ষিণ দিনাজপুর
১১. প্রাক্তন বিচারক ইন্দ্রজিৎ চট্টোপাধ্যায়
মুর্শিদাবাদ (এসি ভিত্তিক)
১২. প্রাক্তন বিচারপতি রঞ্জিত কুমার বাগ
দক্ষিণ ২৪ পরগনা
১৩. প্রাক্তন বিচারপতি সমাপ্তি চট্টোপাধ্যায়
হুগলি
১৪. প্রাক্তন বিচারক মহম্মদ মমতাজ খান
পুরুলিয়া এবং বাঁকুড়া
১৫. প্রাক্তন বিচারক মীর দারা শেকো
পশ্চিম বর্ধমান
১৬. প্রাক্তন বিচারক দেবী প্রসাদ দে
উত্তর দিনাজপুর
১৭. প্রাক্তন বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু
মুর্শিদাবাদ (এসি ভিত্তিক)
১৮. প্রাক্তন বিচারক মনোজিত মণ্ডল
বীরভূম
১৯. প্রাক্তন বিচারক সিদ্ধার্থ রায় চৌধুরী
মালদহ
যদি এসআইআর প্রক্রিয়ায় কারও নাম ভোটার তালিকায় না তোলা হয় বা কেটে দেওয়া হয়, তবে সেই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে এই ট্রাইবুনালে। সাপ্লিমেন্টারি ভোটার তালিকা প্রকাশের পরই আবেদন করা যাবে ট্রাইবুনালে এমনটাই জানিয়েছে শীর্ষ আদালত। কিন্তু ভোটের মুখে সেই ট্রাইবুনাল গঠন নিয়েই উঠছে একের পর এক প্রশ্নচিহ্ন।
