অর্থাৎ SIR প্রক্রিয়ার অছিলায় পরিকল্পিতভাবে মহিলাদের নিশানা করা হয়েছে। বিয়ের পর ঠিকানা বা পদবি পরিবর্তন হওয়া অত্যন্ত স্বাভাবিক বিষয়, অথচ সেই অজুহাতে ‘অ্যাডজুডিকেশন’-এর নামে লক্ষ লক্ষ মহিলার নাম ভোটার তালিকা থেকে মুছে দেওয়া হয়েছে। নির্বাচনের আগে নারীশক্তিকে কোণঠাঁসা করতেই বিজেপি ও কমিশন এই ষড়যন্ত্র কষেছে, সাফ জানালেন মাননীয়া মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
advertisement
প্রসঙ্গত, এসআইআর নিয়ে বেশ কিছু অসঙ্গতি এখনও সামনে আসছে। ১৮৬ জন বিচারধীনের মধ্যে কাটা গেল ১৮৩ জনের ভোট, দুই জনের ভোট এখনও বিচারধীন, ভোট কাটা যাওয়া ১৮৩ জনের মধ্যে অধিকাংশই মতুয়া সম্প্রদায়ের, উৎকাণ্ঠায় তারা ।
উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁ দক্ষিণ বিধানসভার চাঁদপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের ১৭৩ নম্বর বুথে ১৮৬ জনের নাম বিচারধীন ছিল গতকালের তালিকা প্রকাশের পর দেখা যায় ১৮৪ জনের ভোট মীমাংসা হয়েছে। দুই জনের ভোট এখনও বিচারধীন। তবে যে ১৮৪ জনের তালিকা প্রকাশ হয়েছে তার মধ্যে ১৮৩ জনের ভোট কাটা গিয়েছে। আর যাদের ভোট কাটা গিয়েছে তাদের মধ্যে অধিকাংশ মতুয়া সম্প্রদায়ের। ভোট কাটা যাওয়ায় উৎকাণ্ঠায় তারা। ছেলে মেয়ের ভবিষ্যৎ কি হবে? অনেকে বলেছেন তাদের কাছে ১৯৮৪ সালের বর্ডার স্লিপ রয়েছে, কারো কাছে আবার ১৯৮৮ সালের ভোটার তালিকায় নাম রয়েছে। সমস্ত কিছু দেখানোর পরেও তাদের ভোট কেটে দিয়েছে। তারা বলছে এখান থেকে তারা কোথাও যাবে না। তারা এখানে থাকবেন। তাদের নাগরিকত্ব দিতে হবে।
