বৃহস্পতিবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘এটা প্রত্যাবর্তনের লড়াই। তবে দিল্লির প্রত্যাবর্তনের লড়াই। আমার নয়। এবার দিল্লি দখল করব এটাই আমার টার্গেট। ৬০ লক্ষ নাম বিচারাধীন। শেষ পর্যন্ত কত নাম বাদ যাবে তা বোঝা যাচ্ছে না। ৬০ লক্ষ লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি। ৫৮ লক্ষতে হাতও দেওয়া হয়নি।’ মোদি-অমিত শাহ- জ্ঞানেশ কুমারকে একাধিক বার কটাক্ষ করে তিনি বলেন, ‘এসআইআর মানে সর্বনাশ। মানুষকে ভোট দিতে না দিয়ে নিজেরাই সব ঠিক করে দিচ্ছেন। বিজেপির ভোটাররাও এবার বিজেপিকে ভোট দেবেন না।’
advertisement
চূড়ান্ত ভোটার তালিকা থেকে ৬০ লক্ষ নাম বাদ যাওয়া এবং প্রায় ৬০ লক্ষের নাম ‘বিচারাধীন’ থাকা নিয়ে শুরু থেকেই সুর চড়িয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস৷ এবার এসআইআর প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে ফের মেট্রো চ্যানেলে ধরনায় বসলেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ উস্কে দিলেন ২০০৬ সালের স্মৃতি৷ শুক্রবার দুপুর ২টো নাগাদ মেট্রো চ্যানেলের মঞ্চে উপস্থিত হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ বলেন, ‘‘অনেক বিশিষ্ট মানুষ আসবেন। আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবেন যে ২২ জনকে মৃত ঘোষণা করছে কিন্তু তাঁরা জীবিত আছেন৷ তাঁদের আমি মঞ্চে হাজির করব৷’’ মমতা জানান, ‘‘sir এ যারা মারা গেছেন তাদের পরিবারও আসবে৷ মনে রাখবেন ইঞ্চিতে ইঞ্চিতে আমরা কাজ করি। আমরা জানি কোথায় কী হয়।’’
এসআইআর প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে গিয়ে যেন ফের বিরোধী নেত্রীর মেজাজে ফিরে গিয়েছেন মমতা, মেট্রো চ্যানেলকে ধর্না মঞ্চ হিসেবে বেছে নিয়ে ফের ২০০৬-এর স্মৃতি উসকে দিলেন তিনি৷ বঙ্গে তখন সিপিআইএম জমানা, মমতা বিরোধী নেত্রী৷ আন্দোলনের জন্য বেশিরভাগ সময় মাঠ-ময়দানকেই বেছে নিয়েছেন মমতা৷ সিঙ্গুর আন্দোলনের সময় ২০০৬ সালে এই মেট্রো চ্যানেলেই টানা ২৬ দিনের অনশন করেছিলেন তিনি৷
