হাসপাতালকে ১০ দিনের চিকিৎসা খরচের আনুমানিক হিসেব জমা দিতে হবে। মেডিক্যাল সেল ২৪ কর্মঘণ্টার মধ্যে সিদ্ধান্ত নেবে বলে নির্দেশ। সময়মতো সিদ্ধান্ত না হলে ৭৫% পর্যন্ত অনুমোদন স্বয়ংক্রিয়ভাবে কার্যকর হবে। পেনশনভোগী ও পরিবার পেনশনভোগীদের জন্য নির্দেশিকা নবান্নের।
advertisement
প্রসঙ্গত, রাজ্য সরকারের স্বাস্থ্য বীমা প্রকল্প স্বাস্থ্যসাথী নিয়ে এই বছরের বাজেটেও বড় ঘোষণা করেছে রাজ্য সরকার৷ স্বাস্থ্যসাথীতে ২ কোটি ৪৫ লক্ষ মানুষকে নিয়ে আসা হয়েছে বলে দাবি করেছেন মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। বাজেটে এদিন ঘোষণা করা হল, ‘গিগ ইকনমি’র সঙ্গে জড়িতদেরও স্বাস্থ্যসাথীর আওতায় আনা হবে, ঘোষণা করা হয়েছে এবারের বাজেটে৷
রাজ্য সরকারের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত এই প্রকল্পের আওতায় এক কোটি মানুষ হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা পরিষেবা নিয়েছেন। এই সময়ের মধ্যে ১৩,১৫৬ কোটি টাকার ক্যাশলেস চিকিৎসা সুবিধা পেয়েছেন রাজ্যের সাধারণ মানুষ এবং পুরো অর্থটাই এসেছে রাজ্য সরকারের বাজেট থেকে।
সরকারি সূত্রের দাবি, প্রকল্পটি শুধু সংখ্যা নয়, পরিষেবার মানেও এগিয়ে। একটি আধুনিক আইটি প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে হাসপাতালগুলিকে দ্রুত অর্থপ্রদান করা হচ্ছে, ফলে রোগীরা পাচ্ছেন দ্রুত, নির্ভরযোগ্য ও ঝামেলাহীন পরিষেবা। সরকারি ও বেসরকারি– দুই ক্ষেত্রেই এই সুবিধা মিলছে সমানভাবে।
