বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনটি এর যাত্রাপথের বেশ কয়েকটি জেলাকে উপকৃত করবে, যার মধ্যে অসমের কামরূপ মেট্রোপলিটন এবং বঙ্গাইগাঁও এবং পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহার, জলপাইগুড়ি, মালদহ, মুর্শিদাবাদ, পূর্ব বর্ধমান, হুগলি ও হাওড়া অন্তর্ভুক্ত। এর ফলে আঞ্চলিক সংযোগ বৃদ্ধি পাবে এবং আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের প্রসার ঘটবে।
১৬ কোচের এই রেকটিতে ১১টি এসি থ্রি-টিয়ার কোচ, ৪টি এসি টু-টিয়ার কোচ এবং ১টি এসি ফার্স্ট ক্লাস কোচ রয়েছে, যার মোট যাত্রী ধারণক্ষমতা প্রায় ৮২৩ জন। বিশেষ করে রাতের ভ্রমণের জন্য ডিজাইন করা এই ট্রেনের সময়সূচি এমনভাবে পরিকল্পনা করা হয়েছে যাতে এটি সন্ধ্যায় উৎস স্টেশন থেকে ছেড়ে পরের দিন সকালে গন্তব্যে পৌঁছয়, যা যাত্রীদের জন্য সর্বোত্তম সুবিধা নিশ্চিত করবে।
advertisement
যাত্রীরা আরাম, নিরাপত্তা এবং উন্নত মানের পরিষেবার মাধ্যমে একটি চমৎকার ভ্রমণের অভিজ্ঞতা উপভোগ করবেন। যাত্রায় একটি সাংস্কৃতিক ছোঁয়া যোগ করতে, ট্রেনটিতে খাঁটি স্থানীয় খাবার পরিবেশন করা হবে, যা একটি স্মরণীয় আঞ্চলিক খাবারের অভিজ্ঞতা দেবে যাত্রীদের।
প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের সূচনা হলে সেটি ভারতে রাতের রেল ভ্রমণে এক নতুন যুগের সূচনা করেছে। সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে নির্মিত এই ট্রেনগুলো উন্নত নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য এবং আধুনিক সুযোগ-সুবিধা দিয়ে সজ্জিত, যা যাত্রী নিরাপত্তা, আরাম এবং উদ্ভাবনের প্রতি ভারতীয় রেলের দৃঢ় প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন।
আরও পড়ুন : জোরদার তল্লাশি RPF-এর, হাওড়া ও শিয়ালদহ থেকে গ্রেফতার ৪ দুষ্কৃতী, উদ্ধার একাধিক দামি মোবাইল
নতুন বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনগুলো একটি প্রিমিয়াম রাতের ভ্রমণের অভিজ্ঞতা দেওয়ার মাধ্যমে দূরপাল্লার ভ্রমণকে আরামদায়ক সফরে রূপান্তরিত করতে প্রস্তুত। দীর্ঘ ভ্রমণের জন্য ডিজাইন করা অত্যাধুনিক স্লিপার কোচ-সহ, যাত্রীরা বিভিন্ন পছন্দ এবং বাজেট অনুযায়ী ফার্স্ট এসি, এসি টু-টিয়ার এবং এসি থ্রি-টিয়ার-সহ বিভিন্ন শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত শ্রেণি-সম্ভার থেকে বেছে নিতে পারবেন। এই উদ্ভাবনী ট্রেনগুলোর মাধ্যমে, ভারতীয় রেলের লক্ষ্য হল যাত্রীদের রাতের ভ্রমণকে বাড়ির মতো আরামদায়ক ও স্বস্তিদায়ক করে তোলা।
