খবর পেয়ে নর্থ পোর্ট থানার পুলিশ ও রিভার ট্রাফিক পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। যৌথভাবে তল্লাশি চালিয়ে তাঁকে জল থেকে উদ্ধার করা হয়। এরপর দ্রুত তাঁকে মানিকতলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা পরীক্ষা করে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
দেশে স্তন ক্যানসারের হার বাড়ল ৫০০ শতাংশ! সমীক্ষায় উঠে এল ভয়াবহ তথ্য, কোন ভুল করছেন নারীরা?
advertisement
‘সোনমকে পারিনি, তাই ওর শাড়িটা পোড়ালাম’! প্রতীকী আগুনে হোলিকা পালন রাজা রঘুবংশীর পরিবারের!
প্রাথমিক অনুমান, স্নানের সময় পা হড়কে তিনি গভীর জলে চলে গিয়েছিলেন অথবা শারীরিক অসুস্থতার কারণে জ্ঞান হারিয়ে তলিয়ে যেতে পারেন। তবে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট না পাওয়া পর্যন্ত মৃত্যুর সঠিক কারণ সম্পর্কে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না বলে জানিয়েছে পুলিশ।
ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে পরিবারের উপর। দোলের দিন এমন দুর্ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। পুলিশ অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।
পর পর দু’মাস আহিরীটোলা ঘাটেই এমন দুর্ঘটনা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। ফেব্রুয়ারি মাসেই আহিরীটোলা ঘাটে গঙ্গায় পড়ে গিয়ে এক অজ্ঞাত পরিচয় যুবক নিখোঁজ হয়ে গিয়েছিলেন। শুক্রবার সকাল প্রায় ১১টা নাগাদ ঘটনাটি ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, চোখের পলকেই ওই যুবক গঙ্গায় পড়ে যান। তবে তিনি অসাবধানতাবশত পড়ে গিয়েছিলেন নাকি ইচ্ছাকৃতভাবে ঝাঁপ দিয়েছিলেন, সে বিষয়ে স্পষ্ট তথ্য মেলেনি।
ঘটনার পরপরই লালবাজার কন্ট্রোলরুমে খবর দেওয়া হয়। পরে উত্তর বন্দর থানায় বিষয়টি জানানো হলে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। কলকাতা রিভার ট্রাফিক পুলিশও তৎপরতার সঙ্গে তল্লাশি শুরু করে। প্রথমে ঘাট ও সংলগ্ন এলাকা থেকে সাধারণ মানুষকে সরিয়ে দেওয়া হয়, যাতে উদ্ধারকাজে কোনও বাধা না আসে।
আহিরীটোলা, বাবুঘাট থেকে হাওড়ার দিকে প্রতিদিন সকাল থেকেই একাধিক ফেরি চলাচল করে এবং অফিস সময়ে হাজার হাজার মানুষ গঙ্গা পারাপার করেন। সেই ভিড়ের মধ্যেই যুবকটি আচমকা নদীতে পড়ে যান বলে জানা যায়।
পরে ঘটনাস্থলে কলকাতা পুলিশের বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী ও বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ডুবুরিরা পৌঁছন। রিভার ট্রাফিক পুলিশের একাধিক লঞ্চ নিয়ে সার্চ অপারেশন চালানো হয়। অক্সিজেন সিলিন্ডার-সহ প্রয়োজনীয় সুরক্ষাবিধি মেনে হুগলি নদীর গভীর জলে নেমে তল্লাশি চালানো হয়। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত যুবকের নাম-পরিচয় জানা যায়নি এবং তাঁর সন্ধানও মেলেনি।
