২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচন হয়েছিল আট দফায়। এ বার দুই দফায় ভোট হবে। কমিশন সূত্রে খবর, কম দফায় ভোট হলেও পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক হিংসার কথা মাথায় রেখে বিপুল সংখ্যক কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা হবে। অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোট করাতে কমিশন বদ্ধপরিকর। জ্ঞানেশ কুমার জানিয়েছেন, বাংলায় ভোটের দফা কমানোর প্রয়োজন ছিল যাতে সবার জন্য সুবিধা হয়৷ বিস্তারিত আলোচনার পর বাংলায় ভোটের দফা দু পর্যায়ে নামিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে৷
advertisement
নির্ঘণ্ট ঘোষণা করলেন জ্ঞানেশ কুমার
পশ্চিমবঙ্গ ছাড়াও অসম, তামিলনাড়ু, কেরল এবং পুদুচেরির ভোটের নির্ঘণ্ট রবিবার ঘোষণা করে কমিশন। কিছু দিন আগেই কমিশনের ফুল বেঞ্চ কলকাতা থেকে ঘুরে গিয়েছে। বৈঠকে সব দলই কম দফায় ভোটের আবেদন জানিয়েছিল। আগের চেয়ে এ বার ভোটের দফা অনেকটাই কমিয়ে দেওয়া হয়। পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকার বিশেষ সংশোধনের প্রক্রিয়া এখনও শেষ হয়নি। কয়েক লক্ষ নাম এখনও বিবেচনাধীন হিসাবে রয়েছে। এখনও অতিরিক্ত কোনও তালিকা প্রকাশিত হয়নি। ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত রাজ্যে বিবেচনাধীন ছিলেন ৬০ লক্ষ ৬ হাজার ৬৭৫ জন ভোটার।
১৭.৪ কোটি ভোটার
মোট বিধানসভা সিট- ৮২৪
মোট পোলিং স্টেশন- ২.১৯ লক্ষ
মোট ইলেকশন অফিসিয়াল- ২৫ লক্ষ
জ্ঞানেশ কুমার বলেন, ‘বাংলায় মোট ভোটার ৬ কোটি ৪৪ লক্ষ। ৭০০-৮৫০ ভোটার নিয়ে একটি করে বুথ হবে! গত কয়েকদিনে কমিশন নির্বাচন মুখী রাজ্যগুলিতে পরিদর্শনে দিয়েছে। ভিজিট চলাকালীন রেকগনাইজড রাজনৈতিক দল এবং নির্বাচন আধিকারিক এবং প্রশাসনিক আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেছে। নতুন ভোটারদের সঙ্গেও কথা বলেছে কমিশন। স্বচ্ছ ভোটার তালিকা স্বচ্ছ নির্বাচনের ভিত্তি। সেই কারণেই এসআইআর করা হয়েছে, যাতে কোনও বৈধ ভোটার তালিকার বাইরে না থাকে এবং কোনও অবৈধ ভোটাররা তালিকায় না থাকতে পারে। ১০০ শতাংশ বুথে ওয়েব কাউন্টিং হবে।’