অভিষেক টার্গেট বেঁধে দিয়ে বলেন, “আমাদের লড়াই ভবানীপুরে যে ২৩১ বুথে লিড ছিল তাকে ছাপিয়ে যেতে হবে। অন্তত ৫টা করে ভোট বাড়াতে হবে নিজেদের জায়গায়। ৬০,০০০-এর বেশি ভোটে জিততেই হবে”।
আরও পড়ুন: ভয়াবহ দুর্ঘটনা! মুর্শিদাবাদে পাঁচ শিশুকে চাপা দিল বেপরোয়া গাড়ি, মৃত্যু দুই, আহত তিন
অভিষেক এদিন আরও বলেন, “আজ দেখুন প্রধানমন্ত্রী হবার পরে মোদীর লাইফস্টাইল কিরকম অন্যদিকে গেছে। আমাদের মুখ্যমন্ত্রীকে দেখুন এখনও টালির চালের তলায় থাকেন। সাধারণ মানুষের মতন জীবন নির্বাহ করেন। মানুষকে বলুন দ্রব্যমূল্য বাড়ল কিভাবে ওদের জন্য। কেন্দ্রীয় বঞ্চনাকে আমরা ভুলতে পারি না”।
advertisement
কেন্দ্রকে আক্রমণ করে দলের সাধারণ সম্পাদক বলেন, “আমরা আমাদের রিপোর্ট কার্ড নিয়ে যাব সাধারণ মানুষের কাছে। যাদেরকে এতদিন ধরে খুঁজে পাওয়া যায়নি তারা এখন ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করছে। আমাদের সরকারের স্কিম এর পাশাপাশি নরেন্দ্র মোদীর সরকারের স্কিমের ফারাক আছে সেটা বোঝাতে হবে। আমাদের সরকার দিয়েছে আর মোদীর সরকার লাইনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে”।
লক্ষ্মীর ভান্ডার নিয়ে বিজেপিকে আক্রমণ করে অভিষেক বলেন, “বিজেপি কোনও রাজ্যে লক্ষ্মীর ভান্ডার দিতে পারেনি। আমাদের সরকার যতদিন থাকবে ততদিন লক্ষ্মীর ভান্ডার চলবে। আমাদের কে একবার নয় তিনবার যেতে হবে। সবাইকে বলছি আত্মতুষ্টিতে ভুগলে চলবে না। আয়ুষ্মান ভারত স্মার্ট ফোন থাকলে পাওয়া যায় না। স্বাস্থ্য সাথী কিন্তু সবার”।
ভবানীপুর নিয়ে দলের লক্ষ্য স্থির করে দেন অভিষেক, তিনি বলেন, “এই বাংলা মাথা নত করবে না। কলকাতার মধ্যে প্রথম হতে হবে ভবানীপুরকে। মানুষকে বোঝাতে হবে বিজেপি একটা দূর্নীতিগ্রস্ত দল। বুথ সভাপতিরা কাউন্সিলারের ফোনের অপেক্ষায় থাকবেন না। নিজেরা চলে যান প্রত্যেকের বাড়ি। চায়ের দোকানে আড্ডা মারুন”।
