এই প্রসঙ্গে কবি শ্রীজাত বন্দ্যেপাধ্যায় নিজের লেখা কবিতা পড়লেন। কবিতায় কবি জানালেন ‘এবার লড়াই গণতান্ত্রিক হোক’। অর্থনীতিবিদ অভিরূপ সরকার বলেন, “একাধিক প্রশাসনিক পদ বদলে সরকারের কল্যাণমূলক প্রকল্প ব্যহত হয়েছে। তাতে পশ্চিমবঙ্গবাসীর ভীষণ অসুবিধের মধ্যে পড়তে হচ্ছে”৷
আরও পড়ুন: ভয়াবহ দুর্ঘটনা! মুর্শিদাবাদে পাঁচ শিশুকে চাপা দিল বেপরোয়া গাড়ি, মৃত্যু দুই, আহত তিন
advertisement
শিশু রক্ষা কমিটির উপদেষ্টা অনন্যা চক্রবর্তী বলেন, “শিশু ডেভেলপমেন্ট ডিপার্টমেন্টে কোনও সেক্রেটারি নন কারণ হোম সেক্রেটারি করা হয়েছে সংঘমিত্রা ঘোষকে। কাজেই ডিপার্মেন্টের ক্ষতি হচ্ছে। কী দরকার ছিল বদলি করে দেওয়ার? রেশনের কাজকর্ম ব্যাহত হয়েছে। একটা এমার্জেন্সি সিচুয়েশন জারি হয়ে গেছে, এর প্রতিবাদ দরকার। ইলেকশন কমিশন এই কাজ করছে প্রশাসন অসুবিধেই পড়ুক বলেই করছে”।
গায়ক সৈকত মিত্র গানে গানে প্রতিবাদ করেন৷ তাঁর কথায়, ‘দিল্লীর হাওয়া বাংলার বুকে। চুপ থাকবে মানুষ’? ‘ক্ষমতা যার খেলা তার তোমরা শুধু করবে হাহাকার’। ‘নতুন ভোর আবার আসবে, বাঙলী জাতি কখনও কারোর কাছে মাথা নোয়াইনি। বাংলা জিতবে।’
পরিচালক হরনাথ চক্রবর্তী বলেন, “নির্বাচন কমিশনার রেফারি হয়ে নিজেই খেলতে আরম্ভ করে দিয়েছে। মোদী প্রথম থেকেই আমাদের দিদিকে ভয় পান। আর ভয় পান বলেই বাংলাকে প্রেসারে রাখতে চাই। তবে তারা বাংলাকে দখল করতে পারবে না”।
অসুস্থতার জন্য সশরীরে উপস্থিত থাকতে না পারলেও বার্তা দেন জয় গোস্বামী। তিনি বলেন, “স্বাস্থ্যসাথী, লক্ষ্মীর ভান্ডার, রাজ্য সরকারের একাধিক প্রকল্পের ব্যবস্থা করেছেন৷ কিছু আধিকারিক থাকেন যারা এই প্রকল্প পরিচালনা করেন৷ নির্বাচনের আগে এদের তুলে নিল, বিভিন্ন প্রদেশে পাঠান হয়েছে। এই কারণে এই প্রকল্প ব্যহত হচ্ছে। রাজ্যবাসী অসুবিধায় পড়েছে”।
