আজকের মতন গ্যাস থাকলেও স্টকে আর কোন গ্যাসও নেই৷ কোম্পানিতে গেলে বুঝতে পারব গ্যাস পাব কিনা৷ অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছেন সকলে৷ অন্যদিকে রোগীর আত্মীয়রাও এই বিনামূল্যের খাবারের ওপর নির্ভরশীল, তারাও সংশয়ে রয়েছেন আগামী দিনে এই খাবার পাবেন কিনা৷
advertisement
৫ টাকায় মেলে পেট ভরা খাবার৷ এসএসকেএম বা পিজি হাসপাতালের এই মা ক্যান্টিনে প্রতিদিন হাজার রোগীর আত্মীয় ভাত ডাল ডিম সেদ্ধ খান৷ রান্নার আকাল হলেও যতই সমস্যা হোক এই ক্যান্টিন চলবেই বলে আশাবাদী কর্মীরা৷ কারণ রোগীর আত্মীয়রাও এই খাবারের ওপর নির্ভরশীল৷ এই ক্যান্টিন যদি বন্ধ হয় তাহলে না খেতে পেয়ে মরতে হবে বলছেন রোগীর আত্মীয়রা৷ এখনও পর্যন্ত গ্যাসের সরবরাহ ঠিক আছে৷ তবে আগামী দিনে কি হবে তা জানা নেই কারোর৷
এবার গ্যাসের সঙ্কট আরজিকর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে। রোগীদের জন্য যে কিচেন, সেখানে এখনও কোনও সমস্যা নেই। তবে তবে স্টুডেন্ট হোস্টেল, নার্সিং হোস্টেল স্টুডেন্টস ক্যান্টিন সেখানে সমস্যা কিছুটা রয়েছে বলে অভিযোগ। এখনও পর্যন্ত গ্যাস থাকলেও সেটা এমন নয় যে খুব বেশি। তবে তা নিয়ে বেশি নিশ্চিন্ত হওয়ার কারণ নেই। আগামী এক দু-দিন কোনও সমস্যা না থাকলেও আকাল চলতে থাকলে খুবই সমস্যার মুখে পড়তে হবে বলে মনে করা হচ্ছে। অন্যদিকে হোস্টেলের সুপার দের পক্ষ থেকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে সমস্যার কথা জানানো হয়েছে।
ইতিমধ্যেই গ্যাস শেষ হয়ে যাওয়ায় সমস্যার মুখে পড়েছে বিভিন্ন স্কুল। একাধিক প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শেষ হয়ে গিয়েছে রান্নার গ্যাস। ফলে মিড ডে মিল রান্না করতে গিয়েও সমস্যায় পড়ছেন অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীরা। রান্নার গ্যাস শেষ হয়ে যাওয়ার কারণে উনুন জ্বালিয়ে রান্না করতে হচ্ছে। মিড ডে মিল যাতে বন্ধ না থাকে সেই কারণে উনুন চালিয়ে রান্না করা হচ্ছে।
