ভবানীপুরের প্রার্থী তিনি। শুভেন্দুর প্রচারের সময় পাল্টা স্লোগান দিতে থাকেন তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকেরা। শুরু হয় ‘জয় বাংলা’ ধ্বনি।
শুভেন্দুর প্রচার প্রসঙ্গে ফিরহাদ হাকিম বলেন, ‘দাদা এমনি এত গুরুত্বপূর্ণ নয়। আপনি বাঘ নয়, আপনাকে কেউ বাধা দেবে না। গণতান্ত্রিক উপায়ে নিজেদের কাজ করুন। সবার উপরে মানুষ সত্য।’ কার্তিক বন্দ্যোপাধ্যায় জানান,
‘নাম বাদ গেলেও বাড়বে ব্যবধান। দিদি ঘরে ঘরে কাজ করেছে। ঘরে ঘরে গিয়ে প্রচার হবে। জেনে রাখুন বাড়বে ভোটের ব্যবধান। প্রায় ৬২ হাজার ভোটে জিতবে দিদি। এখানে সব বাঙালি। সবাই আমাদের ভোট দেবে।’
advertisement
কাজরী বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, ‘আমরা ডোর টু ডোর বাড়াচ্ছি। এছাড়া আমাদের ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে কর্মীসভা হবে। আপাতত ১৫ দিন ডোর টু ডোর।’
ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হওয়ার পরের দিনই প্রথম দফার প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করে বিজেপি৷ বিজেপি-র প্রার্থী তালিকায় সবথেকে বড় চমক নন্দীগ্রামের পাশাপাশি ভবানীপুরেও প্রার্থী করা হচ্ছে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে৷ গতবার বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রামে লড়েছিলেন শুভেন্দু। কিন্তু ভবানীপুর নিয়ে যে বেশ কিছু দিন ধরে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করে আসছিলেন তিনি। এবার সেই সম্ভাবনাতেই শিলমোহর। নন্দীগ্রামের মতো রাজ্যের হাইভোল্টেজ কেন্দ্র থেকে তৃণমূল প্রার্থী হিসেবে লড়বেন শুভেন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ঠ পবিত্র কর। মঙ্গলবার সকালে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরে তৃণমূলে যোগদান করেছিলেন তিনি। আর বিকেলে দেখা গেল, নন্দীগ্রামের প্রার্থী হিসেবে তাঁর নামই ঘোষণা করলেন অভিষেক। আর সেই ঘটনার পরই প্রত্যাশা মতো তৃণমূলে যোগ দিলেন পবিত্র করের স্ত্রী শিউলি করও!
